নিউজ পোল ব্যুরো: কালীপুজো (Kali Puja 2025) ও দিওয়ালির (Diwali Festival) আগে থেকেই প্রশাসনের কড়া নজরদারিতে চলছে বাজি-বাণিজ্য (Firecrackers Business)। উৎসবের সময় শব্দদূষণ (Noise Pollution) ও বায়ুদূষণ (Air Pollution) রোধে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে পুলিশ প্রশাসন (Police Action)। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই বিধান নগর কমিশনারেট (Bidhannagar Commissionerate) এলাকায় টানা তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ শব্দবাজি (Illegal Firecrackers) উদ্ধার করল পুলিশ। একাধিক থানার অভিযান (Police Raid) মিলিয়ে উদ্ধার হয়েছে ১৫০ কেজিরও বেশি বাজি। গ্রেফতার করা হয়েছে মোট পাঁচজন বাজি বিক্রেতাকে (Firecracker Seller Arrested)।

প্রথম অভিযানটি চালানো হয় নারায়ণপুর থানা (Naraynpur Police Station) এলাকার ২১৭ নম্বর বাস স্ট্যান্ড, মণিখোলা থেকে। সেখান থেকে উদ্ধার হয় প্রায় ২৫ কেজি নিষিদ্ধ শব্দবাজি। ঘটনাস্থল থেকেই বাজি বিক্রির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় রমজান আলী নামে এক ব্যক্তিকে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কালীপুজোর আগে এই বাজিগুলি আশপাশের এলাকায় বিক্রি করার পরিকল্পনা ছিল তার।
আরও পড়ুন:Weather Update :উইকেন্ডে ৬ জেলায় ফের ঝড়-বৃষ্টি, কোথায় কেমন হবে আবহাওয়া?
এরপর অভিযান চলে নিউটাউন থানা (New Town Police Station) এলাকার থাকদারি অঞ্চলে। এই এলাকা থেকে উদ্ধার হয় আরও ৩০ কেজি নিষিদ্ধ বাজি। ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে কৌশিক প্রামানিক নামে এক ব্যক্তিকে। বাজিগুলি গোপনে বিক্রি করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের।

রাজারহাট থানা (Rajarhat Police Station) এলাকার ভাতেন্ডা বাদামতলা থেকেও উদ্ধার হয়েছে ৩৮ কেজি বাজি। সেখান থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে শেখ ফিরোজ নামে এক ব্যক্তিকে। একই থানা এলাকার বাজেতরফ থেকে আরও ১৮ কেজি বাজি উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘটনায় গ্রেফতার হয় তাপস মন্ডল নামে এক সন্দেহভাজন বিক্রেতা।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
সবচেয়ে বড় চালান ধরা পড়ে নিউটাউন টেকনোসিটি থানা (New Town Technocity Police Station) এলাকায়। পুলিশ ৪৫ কেজি বাজি উদ্ধার করে বাদুড়িয়া থানার রঘুনাথপুরের বাসিন্দা সাহারুল ইসলাম মন্ডলের কাছ থেকে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, বাজিগুলি বিক্রির উদ্দেশ্যে সে নিউটাউন এলাকায় আসে।

পুলিশ জানিয়েছে, উৎসবের সময় আইন ভেঙে বাজি বিক্রি বা মজুত রাখলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শব্দবাজি পোড়ানো বা বিক্রির ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের নির্দেশিকা (Government Guidelines) মেনে চলার ওপরও জোর দেওয়া হচ্ছে। কালীপুজো ও দিওয়ালির আগে এই অভিযান আরও জোরদার হবে বলেই জানা গিয়েছে।
