TCS conversion case: টিসিএস-এ ধর্মান্তর ও যৌন হেনস্থার অভিযোগ খারিজ! ‘সবটাই চক্রান্ত’, পালটা তোপ নিদার পরিবারের

দেশ

নিউজ পোল ব্যুরো: নাসিকের তথাকথিত ‘ধর্মান্তরণ’ বিতর্ক ঘিরে দেশজুড়ে চাঞ্চল্য তৈরি হলেও, এবার বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল টিসিএস(Tata Consultancy Services)। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনায় তাদের নাসিক অফিসে (TCS conversion case) কোনো বেআইনি বা অপরাধমূলক কার্যকলাপের প্রমাণ মেলেনি। পাশাপাশি, যাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক ঘনীভূত হয়েছে, সেই নিদা খান সংস্থার কোনো উচ্চপদে কর্মরত ছিলেন না বলেও দাবি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: Narendra Modi: নজরে জঙ্গলমহল ও আদিবাসী ভোট! রবিবার দক্ষিণবঙ্গে মোদীর হাই-ভোল্টেজ মেগা প্রচার

কিছুদিন আগে অভিযোগ ওঠে, ওই অফিসে (TCS conversion case) কর্মরত কয়েকজন মহিলা কর্মীকে জোর করে ধর্মান্তরণের চেষ্টা করা হয়েছে এবং তাঁদের উপর নির্দিষ্ট খাদ্যাভ্যাস ও ধর্মীয় অনুশাসন চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছিল। অভিযোগকারীদের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপ ও হেনস্তার মধ্যে থাকতে হয়েছে তাঁদের। এই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং তদন্ত চালাচ্ছে। তবে মূল অভিযুক্ত নিদা খান এখনও অধরা।

এই পরিস্থিতিতে টিসিএস (TCS conversion case) জানায়, তাদের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থায় এ ধরনের কোনো অভিযোগ আগে জমা পড়েনি। সংস্থা আরও স্পষ্ট করেছে, নিদা খান একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে কাজ করতেন এবং মানবসম্পদ (এইচআর) বিভাগে কোনো দায়িত্বে ছিলেন না। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কয়েকজনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

অন্যদিকে, নিদা খানের পরিবার পুরো ঘটনাটিকে পরিকল্পিত চক্রান্ত বলে দাবি করেছে। তাঁদের বক্তব্য, সাম্প্রতিক একটি আলোচিত অপরাধমূলক ঘটনার দিক থেকে জনমত সরাতেই এই অভিযোগ সামনে আনা হয়েছে। বর্তমানে নিদা খান আগাম জামিনের আবেদন করেছেন এবং পুলিশ তাঁর পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole