তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে কি তবে শুরু হয়ে গেল সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ভূমিকম্প? যে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে কিছুদিন আগেও দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়েছিল, সেই তিনিই আজ বিরোধী দলনেতার আসনের , আর শুধু তাই নয়, তাঁকে সমর্থন জানিয়ে একের পর এক তৃণমূল বিধায়কের নাম সামনে আসতেই বেড়েছে জল্পনা। প্রশ্ন উঠছে, এটি কি শুধুই মতপার্থক্য, নাকি দলের ভিতরে বহুদিন ধরে জমে থাকা ক্ষোভের বিস্ফোরণ?
একদিকে যখন তৃণমূল এর ভাঙন অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠক। সেখানে শুধু ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বা সন্দীপন সাহাই নন, উপস্থিত হয়েছেন তৃণমূলের পরিচিত মুখ কুণাল ঘোষ, ফিরহাদ হাকিম এবং নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তারাই আজ নব্বানে মিলেমিশে এক হয় গেলেন জানিয়ে জল্পনা এখন তুঙ্গে।
সূত্রের খবর, মোট ২০ জন তৃণমূল আদি বিধায়ক এই বৈঠকে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন জাভেদ খান, অশোক দেব, অরুণাভ সেন, সমীর পাঁজা, প্রিয়া পাল, গুলশন মল্লিক, তাপস মাইতি, নীলিমা মিস্ত্রি-সহ আরও একাধিক বিধায়ক। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই উপস্থিতির তালিকা শুধু একটি প্রশাসনিক বৈঠকের তথ্য নয়, বরং রাজ্যের প্রধান বিরোধী শিবিরের ভবিষ্যৎ সমীকরণের ইঙ্গিত।
