নিউজ পোল ব্যুরো: প্রথম সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা (Voter List) প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের ঝড় উঠল রাজ্যে। এই তালিকা ঘিরে গুরুতর অভিযোগ তুললেন কলকাতার মেয়র তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেতা ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)। মঙ্গলবার কলকাতা বন্দরে দলের প্রার্থী হিসেবে প্রচারে বেরিয়ে তিনি সরাসরি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ফিরহাদ (Firhad Hakim) দাবি করেন, ভবানীপুর কেন্দ্রের প্রায় ৪০ শতাংশ ভোটারের নামের ক্ষেত্রে অসংগতি বা কারচুপি হয়েছে। তার অভিযোগ (Firhad Hakim), অনেক ভোটারের নাম বাদ পড়েছে, আবার কিছু ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা সাধারণ ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করছে।
এ প্রসঙ্গে তিনি (Firhad Hakim) জানান, বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হতে পারে তৃণমূল। ফিরহাদের কথায় (Firhad Hakim), সংবিধান দেশের প্রতিটি নাগরিককে ভোটাধিকার দিয়েছে। সেই মৌলিক অধিকার যদি ক্ষুণ্ণ হয়, তাহলে তা মেনে নেওয়া হবে না। কমিশনের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও স্পষ্ট করেন তিনি। এদিন সাপ্লিমেন্টারি তালিকাকে ‘বিভ্রান্তিকর’ বলে আখ্যা দেন তৃণমূল নেতা। তার বক্তব্য, প্রকাশিত তালিকায় কার নাম রয়েছে আর কার নাম নেই, তা স্পষ্ট নয়। এমনকি পিটিশন সংক্রান্ত বিষয়েও কোনও পরিষ্কার ধারণা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। “সব কিছুই গোলমেলে করে রাখা হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষ আতঙ্কে থাকে,”— এমনই মন্তব্য করেন ফিরহাদ (Firhad Hakim)।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole
এছাড়াও, রাজ্যের বিভিন্ন কেন্দ্রে রিটার্নিং অফিসার বদল নিয়েও সরব হন তিনি। তার দাবি, প্রশাসনিক স্তরে হঠাৎ এই পরিবর্তন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। শাসকদলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এই ধরনের পদক্ষেপের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। যদিও তিনি কলকাতা বন্দরের প্রার্থী, তবুও ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে তার উদ্বেগ স্পষ্ট। এ প্রসঙ্গে ফিরহাদ (Firhad Hakim) বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) শুধুমাত্র একটি কেন্দ্রের প্রার্থী নন, তিনি গোটা বাংলার প্রতিনিধি। তার নেতৃত্বেই তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যে নির্বাচনে লড়ছে। শেষে তিনি রাজ্যের ভোটারদের উদ্দেশে আবেদন জানান, বিভ্রান্তিতে না পড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের উপর আস্থা রাখার জন্য। তার কথায়, মানুষের সমর্থনই শেষ পর্যন্ত গণতন্ত্রের প্রকৃত শক্তি নির্ধারণ করবে।
