তৃণমূলে মহাভাঙন! ঋতব্রতর নেতৃত্বে বদলে গেলো বঙ্গ রাজনীতির নুতুন সমীকরণ।

breakingnews দেশ রাজনীতি

নিউজপোল ব্যুরোঃ পুরো তছনছ তৃণমূল। ভোটের রেজাল্ট বেরনোর দু’মাসও কাটেনি তার আগেই ছাড়খার হয়ে গেল তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরের বড়সড় ভাঙন। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে নতুন রাজনৈতিক গোষ্ঠী, যার নাম রাখা হয়েছে “নব তৃণমূল ব্লক”।

বুধবার ৫৮ জন বিধায়কের সমর্থন নিয়ে বিধানসভায় যান ঋতব্রত। অধ্যক্ষের কাছে একটি চিঠি জমা দিয়ে তিনি নতুন ব্লকের স্বীকৃতি চান। পাশাপাশি, তিনি বিরোধী দলনেতার পদও দাবি করেন। নতুন ব্লকে শিউলি সাহা এবং জাভেদ খানকে উপ-দলনেতার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ভোটের ফল প্রকাশের মাত্র দু’মাসের মধ্যেই এই বড় ভাঙন সামনে এল। রাজনৈতিক মহলের মতে, অনেক দিন ধরেই দলের ভিতরে অসন্তোষ ছিল। সেই অসন্তোষই এবার প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

এর আগে দলবিরোধী কাজের অভিযোগে ঋতব্রতকে তৃণমূল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তারপর থেকেই তাঁর সঙ্গে দলের দূরত্ব বাড়তে থাকে। শেষ পর্যন্ত তাঁর সমর্থনে একাধিক বিধায়ক নতুন ব্লক গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।
এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেস বড় ধাক্কা খেয়েছে বলে মনে করছেন অনেকেই। কারণ, দলের এক বড় অংশ এখন আলাদা পথে হাঁটছে। অন্যদিকে, নতুন ব্লক নিজেদের শক্তিশালী বিরোধী গোষ্ঠী হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে।
বুধবার ৬৪ জন বিধায়কের সমর্থনপত্র নিয়ে বিধানসভায় প্রবেশ করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। সংখ্যার বিচারে এই নতুন গোষ্ঠীর উত্থান রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছে অনেকে। রাজনৈতিক অঙ্গনে আপাতত ‘নব তৃণমূল ব্লক’-এর ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নিয়েই জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

এখন দেখার বিষয়, এই নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ রাজ্যের রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলে।