Duttabad Murder : দত্তাবাদ স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনে মূল আসামী এখনও অধরা।

Budget 2025 অপরাধ আইন কলকাতা

নিউজ পোল ব্যুরোঃ দত্তাবাদের স্বর্ণ ব্যবসায়ী অপহরণ ও খুনের ঘটনায় (Duttabad Murder) মোট ৬ জনের জড়িত থাকার তথ্য সামনে এলেও এখনও অধরা মূল অভিযুক্ত বিডিও প্রশান্ত বর্মণ সহ ৩ জন। প্রশান্ত রাজগঞ্জের রাজবংশী বিডিও। গ্রেফতারি এড়াতে প্রশান্ত ইতিমধ্যেই জাতপাতের রাজনীতির খেলা শুরু করেছে। আর সেই সঙ্গে নিজেকে ষড়যন্ত্রের শিকার বলে দেখানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু সত্য কখনও চাপা থাকেনা। বহুবার নানা কৌশলে এই স্বঘোষিত দাবাং প্রশাসক আইনের বেড়াজাল কেটে বেড়িয়ে আসার চেষ্টা করে সফল হলেও, এবার দক্ষিণ বিধান নগর থানার পুলিশ স্বপন কামিল্যা খুনের জাল গুটিয়ে আনছে। ক্রমশ এই খুনের সংশ্লিষ্ট সবার বায়োডাটা চুলচেরা বিশ্লেষণ করছে। সিসিটিভি ফুটেজ জোগাড় ও তার বিশ্লেষণ করছে। তারপরে একের পর এক অভিযুক্তকে নিয়ে আসছে আইনের আওতায়।
সোনা চুরির ঘটনায় নিজের অপরাধ প্রথমেই স্বীকার করে নিয়েছিল প্রশান্ত বর্মণের নিউটাউন এ বি ব্লকের বাড়িতে কুকুর দেখাশোনা করার জন্য নিযুক্ত অশোক কর। পুলিশ কয়েকবারই অশোককে জেরা করেছে। মূলত তার দেওয়া তথ্য থেকেই প্রাথমিকভাবে পুলিশ রাজু ঢালিকে গ্রেফতার করে। রাজু কলকাতা থাকাকালীন বিডিওর গাড়ি চালক।

[আরও পড়ুন]   http://দুই ডাক্তারের কাহিনী

গত ২৮ অক্টোবর নিউটাউন এবি ব্লকের যে বাড়ির (নং ৬৭) মধ্যে স্বপনের ওপর অকথ্য অত্যাচারের জেরে স্বপনের মৃত্যু হয় সেই বাড়িটার স্বত্ব অস্বীকার করে বিডিও। (Duttabad Murder)কিন্তু সেই বাড়ির বাইরের ফুটেজ ছবি এবং ওই বাড়ির ইলেকট্রিক বিলে পরিষ্কার প্রমাণ পাওয়া গেছে বিডিও মিথ্যা কথা বলছেন। শুক্রবার রাতেই তদন্তের গতি আরও এগিয়েছে। ই এম বাইপাসের কাছে উদ্ধার হয়েছে অপহরণ ও খুনে ব্যবহৃত নীল বাতি লাগানো সেই অভিশপ্ত গাড়ি। ফলে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে বিডিওর বৃত্ত। তবুও এর মধ্যেই স্বপন কামিল্যার পরিবারের লোক মূল অভিযুক্তের গ্রেফতার ও শাস্তির ব্যাপারে পুলিশের একাংশের গাফিলতির অভিযোগ আনছেন। ঘটনার অর্থাৎ ২৮ অক্টোবরের পরে কেটে গেছে অনেকগুলো দিন। গ্রেফতার হয়েছে খুনে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত অভিযোগে তিন জন। যতক্ষণ না মূল অভিযুক্ত গ্রেফতার না হচ্ছে ততক্ষণ পরিবারের উৎকণ্ঠা স্বাভাবিক। এই খুনের পরে রাজনৈতিক চাপানউতোরও চলছে। বিজেপি বিডিও গ্রেফতার না হওয়ার পিছনে শাসক দলের হাত দেখতে পাচ্ছেন। বিক্ষোভও দেখাচ্ছেন সঙ্গে বৃহত্তর আন্দোলনের হুমকি। আইনের রাস্তা আইনজ্ঞই বলতে পারে। তবে আজ নয়, কাল। বিডিও আগের দাবাং গিরির মত এবার যে আইনের লম্বা হাত থেকে বেড়িয়ে আসতে পারবে না সেটা বলাই যায়। কারণ এটা খুনের ঘটনা। যেভাবে স্বপনকে বেল্ট, লাঠি, লাথি আর ঘুষি মেরে মেরে ফেলা হয়েছে এবং প্রমাণ লোপাটের জন্য জঙ্গলে ফেলে আসা হয়েছে তার নজির পাওয়া দুষ্কর। ফলে খালি সময়ের অপেক্ষা। স্বপন কামিল্যা খুনের মূল অভিযুক্ত বিডিও প্রশান্ত বর্মণ যে ছাড়া পাবেনা তা বলাই যায়। তবে দেরী হচ্ছে কেন- এই উত্তর দিতে পারবে বিধাননগর দক্ষিণ থানার তদন্তকারী আধিকারিকরা।