Abhishek Banerjee : উদয়নারায়ণপুরে বৃদ্ধের মৃত্যু ঘিরে তীব্র বিতর্ক, কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসলেন অভিষেক

breakingnews কলকাতা রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ মোটের উপর শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হলেও রাজ্যের একাধিক এলাকা থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ সামনে এসেছে (West Bengal Election 2026)। বিশেষ করে হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরে এক বৃদ্ধের মৃত্যুকে ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, ভোট দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ধাক্কায় মাটিতে পড়ে যান ওই বৃদ্ধ, পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। যদিও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই ব্যক্তির মৃত্যু অসুস্থতার কারণেই হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে উঠেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী কার্যত বিজেপির ‘ব্যক্তিগত বাহিনী’-তে পরিণত হয়েছে এবং সাধারণ ভোটারদের উপর সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে (Central Forces)।

আরও পড়ুন: EVM Controversy : ফলতায় ভোটের দিনে ইভিএম বিতর্ক! বিজেপির অভিযোগ, প্রতীকের উপর টেপ সেঁটে বিভ্রান্তির চেষ্টা

অভিষেকের (Abhishek Banerjee) দাবি, ভোর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে মহিলা ও প্রবীণদের উপর লাঠিচার্জ ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাতগাছিয়ায় (Satgachia) এক শিশুর আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি হুগলির তারকেশ্বরে ক্যানসার আক্রান্ত এক মহিলাকেও মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ সামনে এসেছে। সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) লেখেন, বাংলার মাটিতে ‘জল্লাদদের’ মতো আচরণ করা হচ্ছে এবং এই বর্বরতার সঙ্গে যারা যুক্ত, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি আরও বলেন, ২০২১ সালের শীতলকুচি ঘটনার মানসিকতা নিয়েই কেন্দ্রীয় বাহিনী কাজ করছে। সেই ঘটনার জন্য বিজেপিকে রাজনৈতিকভাবে মূল্য দিতে হয়েছিল এবং ২০২৬ সালেও তার থেকেও বড় মূল্য দিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole

অভিষেকের (Abhishek Banerjee) কথায়, বাংলার মানুষের উপর ‘লাইসেন্সপ্রাপ্ত গুন্ডা’ লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলেই দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের মধ্যে ভোট-পরবর্তী রাজনীতি যে আরও তীব্র হতে চলেছে, তা স্পষ্ট।