Immigration Policy of US: গ্রিন কার্ড’ নয়, এবার আসছে ‘গোল্ড কার্ড’—টাকার বিনিময়ে মিলবে আমেরিকান নাগরিকত্ব!

আন্তর্জাতিক

নিউজ পোল ব্যুরো: আবারও অভিবাসন নীতিতে বড়সড় পরিবর্তন আনতে চলেছে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) ঘোষণা করেছেন, এবার থেকে আমেরিকার নাগরিকত্ব (Immigration Policy of US) পেতে হলে দিতে হবে পাঁচ মিলিয়ন মার্কিন ডলার! এই নতুন ব্যবস্থার নাম দেওয়া হয়েছে ‘গোল্ড কার্ড’ (Gold Card), যা নাগরিকত্ব পাওয়ার এক নতুন পথ খুলে দেবে। এখন পর্যন্ত অভিবাসীরা ‘গ্রিন কার্ড’ (Green Card) পাওয়ার মাধ্যমে আমেরিকায় স্থায়ী বাসিন্দার স্বীকৃতি পেতেন। কিন্তু এবার ট্রাম্প প্রশাসন ‘গোল্ড কার্ড’(Gold Card) চালু করার পরিকল্পনা নিয়েছে, যা ‘গ্রিন কার্ড’(Green Card)-এর প্রিমিয়াম সংস্করণ হিসেবে কাজ করবে। ট্রাম্পের মতে, এই নতুন ব্যবস্থার ফলে ধনী ব্যক্তিরা আমেরিকায় এসে বিনিয়োগ (Investment) করতে পারবেন, প্রচুর কর (Tax) দেবেন এবং কর্মসংস্থান (Employment) তৈরি করবেন।

ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই (Within Two Weeks) এই নতুন নিয়ম কার্যকর হবে। তার মতে, এই নীতির জন্য কংগ্রেসের (Congress) অনুমোদন প্রয়োজন নেই। তবে কীভাবে ‘গোল্ড কার্ড’ পাওয়া যাবে বা এর আবেদন প্রক্রিয়া কী হবে, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। অনেকে মনে করছেন, এই নতুন নীতি(Immigration Policy of Us) বিদ্যমান ‘ইবি-৫ প্রোগ্রাম’ (EB-5 Program)-এর উপর প্রভাব ফেলতে পারে। বর্তমানে, ‘ইবি-৫ প্রোগ্রাম’(EB-5 Program) -এর মাধ্যমে অভিবাসী বিনিয়োগকারীরা (Immigrant Investors) নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগের মাধ্যমে গ্রিন কার্ড পেয়ে থাকেন। কিন্তু ‘গোল্ড কার্ড’(Gold Card) চালু হলে এই কর্মসূচি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ট্রাম্প প্রশাসন এই ‘গোল্ড কার্ড’ থেকে পাওয়া অর্থ সরাসরি সরকারি তহবিলে (Government Fund) ব্যবহার করতে চায়, যা আমেরিকার অর্থনৈতিক ঘাটতি (Economic Deficit) কমাতে সাহায্য করবে।

নতুন মেয়াদে ক্ষমতায় এসে ট্রাম্প অভিবাসন নীতিতে (Immigration Policy) একের পর এক কঠোর সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। ইতিমধ্যেই অবৈধ অভিবাসীদের (Illegal Immigrants) নিজ নিজ দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি, কঠোর শুল্ক নীতি (Tariff Policy) এবং বিদেশি অনুদানের (Foreign Aid) উপর নিয়ন্ত্রণের কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি। এই নতুন নীতির(Immigration Policy of US) ফলে অভিবাসনের সুযোগ কিছুটা কঠিন হলেও ধনী বিনিয়োগকারীদের (Wealthy Investors) জন্য আমেরিকার দরজা উন্মুক্ত থাকবে। ‘গোল্ড কার্ড’ কীভাবে বাস্তবে কার্যকর হবে, তা নিয়ে এখনো নানা প্রশ্ন রয়ে গিয়েছে।