নিউজ পোল ব্যুরো: জীবনের মোড় ঘুরে যায় কখন, কে বলতে পারে? একসময় নিজের জীবন শেষ করতে চেয়েছিলেন জাপানের (Japan) হিরোতাকা সাইতো। কিন্তু ঠিক তখনই, তার পোষা কুকুরটি (Dog) নিজের শরীর দিয়ে দরজা আটকে তাকে সেই সিদ্ধান্ত থেকে ফিরিয়ে আনে। সেই মুহূর্তেই বদলে (Ferrari) যায় সাইতোর পুরো জীবন। পোষা প্রাণীর ভালোবাসায় জীবনের মানে খুঁজে পেয়ে, আজ তিনি নিজেকে উৎসর্গ করেছেন তাদের জন্যই। তিনি বিলাসবহুল ফেরারি (Ferrari) গাড়ি বিক্রি করে সেই অর্থে কিনেছেন একটি জমি। সেখানে গড়ে তুলেছেন একটি শিকলমুক্ত কুকুর আশ্রয়কেন্দ্র — “ওয়ান্সফ্রি”।
আরও পড়ুন: IndiGo: প্যান প্যান শব্দেই ফিরল জীবন! মাঝ আকাশে ইন্ডিগোর জরুরি অবতরণ, কী ঘটেছিল ৩০,০০০ ফুট ওপরে?
এই কেন্দ্রটি শুধুমাত্র কোনো আশ্রয় নয়, এটি এক টুকরো ভালোবাসা, নিরাপত্তা এবং সহানুভূতির ঠিকানা। বর্তমানে সেখানে ৪০টিরও বেশি কুকুর এবং ৮টি বিড়াল মুক্তভাবে ঘুরে বেড়ায়। সাইতোর স্বপ্ন, ২০২৮ সালের মধ্যে তিনি অন্তত ৩০০টি কুকুরকে এই কেন্দ্রে আশ্রয় দিতে পারবেন। সাইতোর এই যাত্রা সহজ (Ferrari) ছিল না। তিনি এমন সব কুকুরদের গ্রহণ করেন, যাদের আগে নির্যাতন করা হয়েছে এবং যারা প্রায়ই মানুষকে কামড় দেয় আচরণগত সমস্যার কারণে। তবে সাইতো কখনও পিছিয়ে যাননি। নিজের রক্ত-মাংস দিয়ে, কামড় খেয়েও তিনি তাদের পাশে থেকেছেন। তার আঙুলগুলো আজ ফুলে থাকে, কিন্তু তার মন আগের চেয়ে অনেক হালকা।
তিনি বলেন, “একটা কুকুর যখন আমাকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনলো, তখন বুঝলাম, বাঁচার মানে অন্যকে বাঁচানো। এখন আমার জীবনের সব অর্থ আমি ওদের জন্যই ব্যয় করব।” সোশ্যাল মিডিয়াতে এই মানবিক কাহিনী ভাইরাল হয়েছে। অনেকেই তাকে ‘সত্যিকারের নায়ক’ বলছেন। একজন মন্তব্য করেছেন, “কুকুরেরা আমাদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার যোগ্য। মিঃ সাইতোকে স্যালুট।”
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
