নিউজ পোল ব্যুরো: উত্তরাখণ্ডের পর জম্মু-কাশ্মীরে ভয়াবহ মেঘভাঙা বৃষ্টি (Kishtwar Cloudburst)। তাতেই নামে আকস্মিক বন্যা। কাশ্মীরের চাসোটিতে মেঘভাঙা বৃষ্টির ফলে ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে এবং এতে ব্যাপক হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রাথমিক তথ্যে জানা গিয়েছে মেঘভাঙা বৃষ্টির (Massive Cloudburst) জেরে বিরাট দুর্যোগে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে আহত হয়েছেন ৫৭ মানুষ। প্রকৃতির রোষে এত মানুষের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
জম্মু ও কাশ্মীরের কিশতোয়ার জেলায় চাসোটি গ্রামে বিশাল মেঘ ভাঙা বৃষ্টির পর উদ্ধার ও ত্রাণের জন্য এনডিআরএফ দল পাঠানো হয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ১২ জন মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। বেশ কয়েকটি রাস্তা একেবারে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। খবর পেয়েই উদ্ধার অভিযানে নেমেছে উদ্ধারকারী দল। জীবিতদের খোঁজে এলাকায় বেশ কয়েকটি হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়েছে। এলাকাটি দুর্গম বলে সেখানে পৌঁছানো সহজ নয় বলেই জানিয়েছেন উদ্ধারকারী কর্তারা। প্রধানমন্ত্রী এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “জম্মু ও কাশ্মীরের কিশতোয়ারে মেঘ ভাঙা বৃষ্টি ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সকলের প্রতি আমার সমবেদনা ও প্রার্থনা। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চলছে। প্রয়োজনে যারা ক্ষতিগ্রস্ত তাদের সকল সম্ভাব্য সহায়তা প্রদান করা হবে।”
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং বলেছেন সম্ভাব্য সকল সহায়তা দেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেছেন। জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা X-তে একটি পোস্টে বলেছেন যে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চলছে। তিনি লিখেছেন, “উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করতে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সম্ভাব্য সকল সহায়তা প্রদান নিশ্চিত করতে সাধারণ মানুষ, পুলিশ, সেনাবাহিনী, এনডিআরএফ এবং এসডিআরএফ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।” বিজেপি বিধায়ক সুনীল শর্মা বলেন, মেঘ ভাঙা বৃষ্টি (Massive Cloudburst) এমন একটি এলাকায় ঘটেছে যেখানে লোকেরা তাদের গাড়ি পার্ক করে এবং শ্রী মাচাইল যাত্রার জন্য দোকান বসিয়েছিল। যাত্রা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
