নিউজ পোল ব্যুরো: দুর্গাপুজো (Muslin Magic) মানেই নতুন পোশাকের আমেজ। পাটভাঙা শাড়ি(Saree) যেন বাঙালির উৎসবের অঙ্গ। আর সেই শাড়ি যদি হয় মসলিন(Muslin), তবে তার আবেদন একেবারেই আলাদা। সারাবছর জিনস-টপ পরা তরুণী হোন কিংবা অভিজ্ঞা, সকলেরই তালিকায় জায়গা করে নেয় এই ঐতিহ্যবাহী কাপড়।

দেশ-বিদেশদেশ-বিদেশেখ্যাত মসলিন(Muslin Magic) এবার দুর্গাপুজোয়(Durga Puja 2025)নতুন মাত্রা যোগ করছে। বিশ্ববাংলার পক্ষ থেকে প্রথমবারের মতো কালনার কাদিপাড়ায় কেন্দ্রীয় সরকার অনুমোদিত খাদি ও গ্রামীণ শিল্প কার্যালয়কে মসলিন কটনের (Muslin Cotton)বরাত দেওয়া হয়েছে। সংস্থার চেয়ারম্যান তপন মোদকের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রায় ৪০০টি মসলিন কটন(Muslin Cotton)থানের অর্ডার এসেছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই ১০০টি থান তৈরি করে বিশ্ববাংলাকে পাঠানো হয়েছে।
হস্তচালিত তাঁতের মাধ্যমে তাঁতশিল্পীরা দিনরাত পরিশ্রম করে এই কাজ সম্পন্ন করছেন। বর্তমানে প্রায় ৬০ জন শিল্পী একসঙ্গে এই কাজে যুক্ত। প্রতিটি ১১ মিটার দৈর্ঘ্যের থান দিয়ে তৈরি হচ্ছে দুটি শাড়ি, যা সাধারণ মানুষের কেনার সামর্থ্যের মধ্যেই রাখা হয়েছে। বিশ্ববাংলা এগুলিকে রঙিন প্রিন্টে সাজিয়ে বাজারে আনছে।

মসলিনের(Muslin) বিশেষত্ব হল এর অতুলনীয় নরমভাব। এতটাই হালকা যে এক একটি শাড়ি(Saree) হাতের আংটির ভেতর দিয়ে সহজেই গলে যায়। এই কারণেই মসলিন শুধু বাংলার নয়, আন্তর্জাতিক ফ্যাশনপ্রেমীদেরও পছন্দের তালিকায়। দুর্গাপুজোর(Durga Pujo)মতো উৎসবে এই মসলিন শাড়ি(Muslin saree)হয়ে উঠছে ফ্যাশন ও ঐতিহ্যের নিখুঁত সংমিশ্রণ।

কালনার তাঁতশিল্পীরা মনে করছেন, এই বরাত তাদের জন্য শুধু অর্থনৈতিক স্বস্তি নয়, মসলিন শিল্পের গৌরবও ফিরিয়ে আনবে। পুজোর আগেই কাজ শেষ করার জন্য তারা নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। ফলে এবারের দুর্গোৎসবে বাঙালি মহিলাদের সাজে মসলিনের আভিজাত্য যোগ হবে নিঃসন্দেহে।
