নিউজ পোল ব্যুরো: মহিলাদের নিরাপত্তা (Women Safety) নিয়ে উদ্বেগ বেড়েই চলেছে রাজ্যে। একের পর এক নারী নির্যাতন (Women Harassment) ও ধর্ষণের (Rape Case) ঘটনায় উত্তাল পশ্চিমবঙ্গ। সেই প্রেক্ষিতেই মঙ্গলবার সকালে বিধাননগর বিজেপি (Bidhannagar BJP) এক অভিনব উপায়ে প্রতিবাদে সামিল হলো—যার নাম দিয়েছে ‘অপারেশন লাল মিরচ’ (Operation Lal Mirch)।

সল্টলেকের করুণাময়ী মেট্রো স্টেশন (Salt Lake Karunamoyee Metro Station) ও আটো স্ট্যান্ড চত্বরজুড়ে এদিন দেখা গেল বিজেপি কর্মীদের হাতে লঙ্কার গুঁড়ো (Chili Powder) ও পেপার স্প্রে (Pepper Spray) ভর্তি ছোট ছোট প্যাকেট। পথচারী ও মহিলা যাত্রীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় এই সেফটি কিট (Safety Kit)। মূল উদ্দেশ্য—মহিলাদের আত্মরক্ষার (Self Defence) সচেতনতা বাড়ানো এবং তাদের আত্মবিশ্বাস জোগানো।
আরও পড়ুন:Kali Puja 2025 : কালীপুজো ঘিরে নৈহাটিতে ভক্তের ঢল, বড়মার পুজোতে কড়া নিরাপত্তা প্রশাসনের
বিধাননগর মণ্ডল সভাপতি (Bidhannagar Mandal President) কৌশিক বিশ্বাস জানান, “আমরা ‘অপারেশন লাল মিরচ’ শুরু করেছি সাধারণ মানুষের বিশেষ করে মহিলাদের সচেতন করতে। প্রত্যেক মহিলাকে লাল মিরচ গুঁড়ো ও পেপার স্প্রে দেওয়ার চেষ্টা করছি, যাতে বিপদের সময় তারা নিজেদের রক্ষা করতে পারেন। রাজ্যে দিন দিন মহিলাদের উপর অত্যাচার বাড়ছে। প্রশাসন (Administration) ব্যর্থ—তাই বিজেপি রাস্তায় নেমে নিজস্ব উদ্যোগে মহিলাদের পাশে দাঁড়াচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “আজ যখন প্রশাসন ধর্ষণ রুখতে ব্যর্থ, তখন সাধারণ মানুষকেই আত্মরক্ষার পথে হাঁটতে হবে। আমরা চাই প্রতিটি নারী নিজের সুরক্ষার দায়িত্ব নিজে নিক। এটা কেবল প্রতিবাদ নয়, এটা এক সামাজিক উদ্যোগ (Social Awareness Campaign)।” এই কর্মসূচিতে (Protest Program) বহু স্থানীয় মহিলা ও যাত্রীদের অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। কেউ কেউ জানান, এই ধরনের প্রচার সত্যিই প্রয়োজনীয়, কারণ রাস্তায় বা গণপরিবহনে (Public Transport) প্রায়ই অনিরাপত্তার পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
বিজেপির এই উদ্যোগে রাজনৈতিক মহলেও আলোচনার ঝড় উঠেছে। কেউ একে “জনসংযোগমূলক প্রচার” বললেও, বিজেপি নেতাদের দাবি—এটি নিছক রাজনীতি নয়, বরং এক মানবিক উদ্যোগ। ‘অপারেশন লাল মিরচ’-এর (Operation Lal Mirch Campaign) মাধ্যমে বিজেপি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে—নারী সুরক্ষা আর কেবল প্রশাসনের দায় নয়, এটা এখন সামাজিক দায়িত্বও। এই কর্মসূচির মাধ্যমে দল জানাতে চায়, যখন সরকার ফেল করছে, তখন মানুষই মানুষের পাশে দাঁড়াবে।
