নিউজ পোল ব্যুরোঃ দুই ডাক্তার।
কুন্নুরের থেকে এমবিবিএস করে ডক্টর জিভি সন্দ্বীপ চক্রবর্তী ঠিক করেন দেশসেবার জন্যে আইপিএস হবেন। (DelhiBlast)এবং এখনও পর্যন্ত ছয়বার রাষ্ট্রপতি পুলিশ মেডেল পেয়েছেন। বর্তমানে শ্রীনগরের পুলিশ সুপার।
ডাক্তারির জ্ঞান আর পুলিশ কুকুরের ঘ্রাণশক্তি। শুধুমাত্র জইশ-ই-মোহাম্মদের লাগানো একটিমাত্র পোস্টার থেকে “লিড” নিয়ে আবিষ্কার করেন – কিছু জেহাদি ডাক্তার এবং সন্ত্রাসীদের একটি বড় পরিকল্পনা। তারা কাশ্মীর, হরিয়ানা এবং উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন জায়গায় হাজার হাজার কেজি বিস্ফোরক, অস্ত্র এবং বোমা তৈরির জিনিসপত্র জমা করে রেখেছিল। এর সাথে প্রাণঘাতী কেমিক্যাল দিয়ে লাখের ওপর মানুষ মারার পরিকল্পনা। দিল্লীর গাড়ী বোমা আটকাতে না পারলেও, এর থেকে হাজার গুণ বড় হামলা ওঁর জন্যেই আটকানো সম্ভব হয়েছে।
[আরও পড়ুন] http://সাড়ে তিন বছর পর মুক্তি! রাজনীতির মঞ্চে ফিরলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়
অপরদিকে ডক্টর শাহিনা শাহিদ (DelhiBlast)। এখানে আপনি এইবারের বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত অন্য ডাক্তারের নামও ভাবতে পারেন। যেমন, মুজাম্মিল, আদিল কিংবা ডাক্তার ফারুকের নাম। কিন্তু প্রতিপাদ্য একেবারেই বদলাবে না। দিল্লী বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত মাথাদের বেশীটাই হোয়াইট কলার অপরাধী। এই ঘটনার আগে এদের নাম কোথাও কোন পুলিশের খাতায় তোলা ছিল না। তবু মানুষের মস্তিষ্ক যে কি ধাতু দিয়ে তৈরি বলা মুস্কিল। যাদের নিজের পেশায় যথেষ্ট সুনাম ছিল। যে পরিবারের থেকে উঠে এসেছে, তারাও গরিব শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত। তবু কি করে যে ব্রেন ওয়াশ হল! ডক্টর শাহিনা শাহিদ লখনৌ এর আল ফালাহ মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক। পাকি*স্তানভিত্তিক সন্ত্রাসবাদী সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদের ভারত শাখার নারী উইং “জমাত উল-মুমিনাত” গঠনের দায়িত্বে!
“হোয়াইট কলার” সন্ত্রাসী মডিউলের প্রধান যার সাথে বিভিন্ন ডাক্তার এবং সাদা কলার পেশাজীবী যুক্ত। চিকিৎসাগত যোগ্যতা এবং পেশাগত নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের জন্য লজিস্টিক সহায়তা প্রদান করার মাস্টারমাইন্ড। লাখ খানেক ভারতীয়কে মারার প্ল্যান – যা ডক্টর সন্দ্বীপ চক্রবর্তী ভেস্তে দিয়েছেন।
দুই ডাক্তার। দুই মেরু, দুই পথ।
