ISL Update : ফেডারেশনের সঙ্গে ফের সমস্যা ক্লাবজোটের

ক্রীড়া

নিউজ পোল ব্যুরো: প্রত্যাশা করা হচ্ছিল আইএসএলের (ISL) সূচি হয়ত বুধবারের মধ্যেই এসে যাবে। কিন্তু আবারও সমস্যা দেখা গেছে। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন এবং ক্লাব জোটের মধ্যে সমস্যা রয়েছে।ফেডারেশন স্যালারি কাপ নির্ধারণ ঠিক করে দিতে চাইছে। তাতে রাজি নয় ক্লাবগুলো। অনেক ক্লাবই এতে সমস্যায় পড়তে পারে। কারণ বড়দলগুলোতে এমন অনেক বিদেশি আছে যাদের স্যালারি অনেকটাই বেশি। তাই ক্লাবজোট চাইছে ন যে ফেডারেশন স্যালারি ক্যাপ ঠিক করে দিক। তাই এই বিষয়ে এখন আলোচনা চলছে তাদের। তবে আশা করা যায় এই সমস্যার সমাধান খুব তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন: http://Virat Kohli :ফের আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ স্থানে উঠে এলেন বিরাট কোহলি

ইতিমিধ্যে জানা গেছে আইএসএল (ISL) কবে থেকে কতদিন চলবে। মঙ্গলবার সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন (AIFF) ও অংশগ্রহণকারী সমস্ত ক্লাবের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পরই স্পষ্ট হলো আসন্ন মরসুমের সময়সূচি, ফরম্যাট এবং ভবিষ্যৎ রোডম্যাপ। উল্লেখযোগ্যভাবে, ক্লাবগুলির আনুষ্ঠানিক সম্মতির পর এটাই ছিল প্রথম সরকারি বৈঠক।

এই বৈঠকে নিশ্চিত করা হয়েছে, ISL ২০২৫–২৬ শুরু হবে ১৪ ফেব্রুয়ারি এবং শেষ হবে ১৭ মে। দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে এবার নির্দিষ্ট ক্যালেন্ডার সামনে এলো। তবে বড় সিদ্ধান্ত হিসেবে জানানো হয়েছে, আসন্ন মরসুমে কোনও প্লে-অফ থাকবে না। লিগ চলবে হোম ও অ্যাওয়ে ফরম্যাটে। মোট ১৪টি দল অংশ নেবে, যার মধ্যে নতুন সংযোজন গতবারের আইলিগ জয়ী ইন্টার কাশিও রয়েছে। এই ফরম্যাটে মোট ম্যাচ সংখ্যা দাঁড়াবে ৯১টি।

সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে লিগ শেষ করতে সপ্তাহান্তে ডাবল হেডার ম্যাচের পরিকল্পনা করা হয়েছে। শুক্রবার, শনিবার ও রবিবার এই দিন গুলিতে দুটি করে ম্যাচ হবে। ম্যাচের কিক-অফ সময় নির্ধারিত হয়েছে বিকেল ৫টা ৩০ মিনিট এবং সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিট। বৃহস্পতিবারে একটিমাত্র ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে। ভেন্যু আগেই চূড়ান্ত হওয়ায় প্রস্তুতির কাজ আরও দ্রুত এগোবে বলে জানানো হয়েছে।

 

এছাড়াও, ক্লাবগুলির পক্ষ থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কমিটির জন্য প্রতিনিধি মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অপারেশনস ও ফিক্সচার্স কমিটি, RFQ কমিটি, মার্কেটিং ও ডিজিটাল কমিটি এবং স্পনসরশিপ কমিটি।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে AIFF জানিয়েছে, সম্প্রচার ও বাণিজ্যিক অংশীদারদের জন্য RFP জারি করা হবে যথাক্রমে ১৪ ও ১৫ জানুয়ারি। ৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পার্টনার অনবোর্ডিং সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে। একই সঙ্গে AFC-র কাছে ACL 2 সংক্রান্ত বিশেষ ছাড় চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। আর্থিকভাবে, পুরো মরসুমের বাজেট ধরা হয়েছে ২৪.২৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে AIFF দেবে ৯.৭৭ কোটি টাকা, প্রতিটি ক্লাব দেবে ১ কোটি করে। দীর্ঘমেয়াদে লিগকে স্থিতিশীল করতে ২০২৬-এর পরের জন্য অংশগ্রহণ চুক্তি ও বাণিজ্যিক কাঠামো চূড়ান্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।