নিউজপোল ব্যুরো: জিতু কমল নামটাই যেন বিতর্কে উঠে আসে বারবার। এবার আবার তিনি বিতর্কের শিরোনামে উঠে এলেন।
ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে ফিসফাস, সেটে কলাকুশলীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, একঘণ্টা অতিরিক্ত শুটিংয়ের জন্য চড়া পারিশ্রমিকের বায়নার জন্যই নাকি সিনেমার মাঝপথেই বাদ পড়েছেন জিতু। এমনকী এও শোনা যায় যে, অভিনেতা নাকি পরিচালককে পায়ে হাত দিয়ে ক্ষমা চাওয়ার দাবি তুলেছেন! ‘এরাও মানুষ: দ্য সার্চ উইদিন’ ছবির সেট থেকে এমনই কিছু বিস্ফোরক তথ্য চাউড় হয়েছে। আদৌ কি তাই? সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে মুখ খুললেন জীতু কমলও।
‘এরাও মানুষ’ ছবির পরিচালক সাইপ্রকাশ লাহিড়ীর অভিযোগ, “পয়লা দিন থেকেই জীতুর সঙ্গে কাজ করতে সমস্যা হচ্ছিল। স্পটবয় থেকে কলাকুশলী প্রত্যেকের সঙ্গেই ফ্লোরে রূঢ় আচরণ করছিলেন তিনি।”
এদিকে অভিনেতা জিতু জানাচ্ছেন, ১৬ তারিখ মানে শুটিংয়ের শেষ দিন ওদের কেন মনে হল যে আমি মেকআপ করছি না, সহযোগিতা করছি না। এরা নতুন। শুটিং শেষ হওয়ার পর বাদ দেওয়া, শিল্পীর অনুমতি ছাড়া ডাবিং নিজের মতো করে নেওয়া যায় না। এগুলো জানে না।” তাঁর আরও সংযোজন, “আমি ওখানে যেহেতু কথা দিয়ে ফেলেছি, আমাকে ওখানে যেতে হয়েছে। কোনওদিন ঠিক সময় গাড়ি দেয়নি। আমি পৌঁছব কী করে। পিকআপ টাইম দিচ্ছ। কাল আমায় কল টাইম দিয়েছে সাড়ে ৮ টায় আমি ঢুকেছি ৯ টায়। পৌঁছব কী করে?”

অভিনেতা আরও সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন ‘গায়ে হাত দিতে আসা, গালি দেওয়া, এটা কে মানবে? শেষ দিন বলে এটা করা যায়? পায়ে হাত দিয়ে ক্ষমা চাওয়ার কথা বলছে, কিন্তু কেন সেটা তো বলছে না। এমনই এমনই বলছে? আমার কাছে একটা ভিডিও ফুটেজ আছে, অমিত তালুকদার, পুরনো লোক বলে নিজেকে দাবি করে, যদিও চিনি না, ও বারবার অরূপদা (অরূপ বিশ্বাস), পিয়াদির (পিয়া সেনগুপ্ত) নাম করে, তাঁদের দিয়ে থ্রেট করানোর কথা বলে। এইগুলো করেছে। আমি যখন হাসপাতালে ভর্তি হই, এঁদের কারণে হই। এদের ধুলোবালি, হাবিজাবির কারণে। কিন্তু এসব অ্যাম্বার পাউডার দিয়ে লুকসেট হয়নি। হলে ওখানেই বারণ করে দিতাম। কারণ আমার অ্যাজমা আছে। তাঁরা বিশ্বাসই করছেন না যে আমার শরীর খারাপ হতে পারে। আমি ওখানে অজ্ঞান হয়ে পড়ি, তাও তাঁরা বিশ্বাস করেননি প্রথমে।”
তিনি আরও বলেন, “আমায় সবার সামনে বলেছে এটা কি হারামের টাকা?’
এদিকে প্রযোজক সংস্থা জানাচ্ছে, জিতু ১২ লাখের বেশি টাকা নিয়েছেন। আরও টাকা বাকি।
দুই তরফেই চলছে জোর বিতন্ডা। কি ভাবে এই বিতর্কের শেষ হয় সেটাই এখন দেখার।
