“বিমানে বিপদের সংকেত! আহমেদাবাদে যা ঘটেছে, তেমন ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা আরও ঘটতে পারত — DGCA’র হাড় হিম করা রিপোর্টে ফাঁস”

দেশ

নিউজ পোল ব্যুরো: সম্প্রতি আহমেদাবাদের (Ahmedabad) মেঘানিনগরে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান ভেঙে পড়ার (Air India Crash) ঘটনায় সারা দেশে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কিন্তু ঘটনা এখানেই শেষ নয়। মনে করা হচ্ছিল এটি হয়তো একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা অথচ বাস্তবটা আরও ভয়ানক! দেশের অসংখ্য বিমানে আকাশে ওড়ার পরপরই ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো বিপজ্জনক ঘটনা ঘটেছে বহুবার। সম্প্রতি এক সংবাদ সংস্থার প্রশ্নে ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন (DGCA) যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তা রীতিমতো আতঙ্কের জন্ম দিয়েছে।

আরও পড়ুন: Health Policy: সতর্কবার্তা এখন জিলিপি-শিঙাড়াতেও! স্বাস্থ্যসচেতন রাজনীতির নয়া মোড়—শুরু কেন্দ্রীয় সরকারের হাত ধরে

DGCA জানিয়েছে, গত ৫ বছরে অন্তত ৬৫টি ভারতীয় বিমানের টেক অফের ঠিক পরেই ইঞ্জিনে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছে। শুধু তাই নয়, গত ১৭ মাসে মোট ১১টি “Mayday” কল করেছেন পাইলটরা, যার অর্থ অত্যন্ত জরুরি পরিস্থিতি। এই মেরামতের চাহিদা বোঝাতে যথেষ্ট!

১২ জুনের আহমেদাবাদ দুর্ঘটনার পর এয়ারক্রাফ্ট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (AAIB) যে ১৫ পাতার প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিয়েছে, তাতে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। বিমানটি টেক অফের মাত্র এক সেকেন্ড পরেই এর দু’টি ফুয়েল কন্ট্রোল সুইচ বন্ধ হয়ে যায়, যা সরাসরি দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। যদিও প্রযুক্তিগত ত্রুটি অস্বীকার করা হচ্ছে, তবে বিশেষজ্ঞরা এখন সেই ‘ফুয়েল সুইচ’ ঘিরেই তদন্ত চালাচ্ছেন।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে DGCA এবার কঠোর অবস্থান নিয়েছে। বোয়িং-এর ৭৩৭, ৭৭৭, ৭৮৭-সহ সব মডেলের ফুয়েল কন্ট্রোল সিস্টেম খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছে তারা। পুরনো মডেলের মধ্যে ৭১৭, ৭২৭ এমনকি ম্যাকডোনেল ডগলাসের MD-11 ও MD-90-ও তালিকাভুক্ত। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ২১ জুলাইয়ের মধ্যে সমস্ত বিমান পরীক্ষা শেষ করতে হবে। এই পরিসংখ্যান এবং পদক্ষেপ থেকেই পরিষ্কার, আহমেদাবাদের (Ahmedabad) ঘটনা হয়তো প্রথম নয় বরং ভাগ্যক্রমে আমরা আরও বড় বিপর্যয় থেকে বারবার রক্ষা পেয়েছি!

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT