Air India Crash: আকাশে বিপর্যয়, তদন্তে বিতর্ক! এয়ার ইন্ডিয়া দুর্ঘটনায় ক্যাপ্টেনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন, প্রতিবাদে সরব পাইলটরা

দেশ

নিউজ পোল ব্যুরো: আকাশপথে এক মর্মান্তিক ঘটনার রেশ এখনও কাটেনি, আর তাতেই উস্কে উঠেছে এক নতুন বিতর্ক। এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India Crash) লন্ডনগামী AI 171 ফ্লাইটটি আহমেদাবাদ থেকে উড্ডয়নের ঠিক কয়েক সেকেন্ড পর বিধ্বস্ত হয়। প্রাণ হারান ২৬০ জন, যার মধ্যে ছিলেন যাত্রী, ক্রু এবং মাটিতে থাকা নিরীহ মানুষও। আর এই দুর্ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে উঠে আসা কিছু তথ্য পাইলট মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।

আরও পড়ুন: নিশানা সংসদে! পহেলগাঁও হামলা, অপারেশন সিঁদুর ও আহমেদাবাদ দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রের ঘুম কেড়ে নিতে প্রস্তুত INDIA জোট

মার্কিন তদন্ত সংস্থা এক রিপোর্টে ককপিট ভয়েস রেকর্ডারের (Cockpit Voice Recorder) উদ্ধৃতি দিয়ে দাবি করেছে—বিমানের ক্যাপ্টেন, ৫৬ বছর বয়সী সুমিত সাভারওয়াল (Sumeet Sabharwal), ইঞ্জিনের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ সুইচ “রান” থেকে “কাটঅফ” অবস্থানে সরিয়ে দিয়েছিলেন, যা ইঞ্জিন বন্ধের সমান। প্রথম অফিসার ক্লাইভ কুন্ডার সঙ্গে সঙ্গেই এ বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং ককপিটে (Cockpit) উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তবে ভারতীয় বিমান (Air India Crash) দুর্ঘটনা তদন্ত ব্যুরো (AAIB)-এর প্রাথমিক রিপোর্টে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, ওই মুহূর্তে কে সুইচ ঘোরালেন, তা নিশ্চিত নয়। উল্টো, AAIB-এর ভাষায়, জ্বালানি সুইচ “উঠানোর এক সেকেন্ডের মধ্যে” নিজে থেকেই ঘুরে গিয়েছিল, যা প্রযুক্তিগতভাবে বিরল হলেও একেবারে অসম্ভব নয়।

এই পরিস্থিতিতে ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান পাইলটস (FIP) একটি বিবৃতিতে বলেছে—“প্রথমেই আমরা তদন্ত থেকে পাইলট প্রতিনিধিদের বাদ দেওয়ার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। কারো দোষ প্রমাণের আগে স্বচ্ছ ও তথ্যনির্ভর তদন্ত প্রয়োজন। এখনই দোষ চাপানো অনুচিত এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন।” বিশেষজ্ঞ মহল বলছে, এখনই ক্যাপ্টেনকে দায়ী করা একতরফা সিদ্ধান্ত হতে পারে। সরকার এবং এয়ার ইন্ডিয়া (Air India Crash) সকলকে চূড়ান্ত রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত ধৈর্য রাখার আহ্বান জানিয়েছে, যা প্রকাশ হতে আরও প্রায় এক বছর সময় লাগতে পারে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT