Pangolin Smuggling: বন দফতর ও WCCB-এর যৌথ অভিযানে ঝাড়খণ্ডে পাঙ্গোলিন পাচারচক্র বানচাল

রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো:ঝাড়খণ্ডে(Jharkhand) পাঙ্গোলিন(Pangolin) পাচারের ছক ভেস্তে দিল বন দফতর ও ওয়াইল্ড লাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ব্যুরো (WCCB)। গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে জামশেদপুর বন দফতর ও WCCB-এর আধিকারিকরা যৌথ অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের কাছ থেকে একটি পাটের বস্তায় লুকিয়ে রাখা একটি পাঙ্গোলিন উদ্ধার হয়।সূত্রের খবর, গুদাওয়ান্ডা থানার নেমালেপো গ্রামে পাচারের পরিকল্পনা হচ্ছিল।

আরও পড়ুন: Shamik Bhattacharjee Delhi visit:ভোটের আগে সংগঠন গোছাতে ব্যস্ত বঙ্গ বিজেপি,কমিটি গঠনের বৈঠকে আজ দিল্লি যাচ্ছেন শমীক!

খবর পেয়ে বন দফতরের টিম সেখানে পৌঁছে যায় এবং হঠাৎ অভিযান চালায়। অভিযানে ধৃতদের কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেল ও দুটি মোবাইলও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। যদিও অভিযুক্তদের দলে মোট আটজন ছিল বলে জানা গেছে, বাকিরা জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে পালিয়ে যায়।জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতরা স্বীকার করেছে যে তারা অবৈধ পাচারের সঙ্গে জড়িত। কোথায় পাঙ্গোলিন(Pangolin)পাচারের পরিকল্পনা ছিল এবং এর সঙ্গে আর কারা জড়িত রয়েছে, তা এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বন দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পাচারচক্রের মূল মাস্টারমাইন্ডকে ধরার চেষ্টা চলছে।

উল্লেখ্য, পাঙ্গোলিন(Pangolin)একটি বিরল প্রাণী। এর আঁশের জন্য আন্তর্জাতিক বাজারে বিপুল চাহিদা রয়েছে। বিভিন্ন দেশে ওষুধ তৈরির নামে এর আঁশ ব্যবহার করা হয়। এর জন্যই বারবার পাচারচক্র সক্রিয় হয়। ভারতে পাঙ্গোলিন পাচার আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ আইনের আওতায় পাঙ্গোলিনকে(Pangolin) ‘Schedule-I’ প্রাণী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, ফলে এর শিকার বা পাচারের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে সাত বছরের জেল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের পাচার বন্ধ না হলে পাঙ্গোলিন(Pangolin) একেবারেই বিলুপ্ত হয়ে যাবে। তাই বন দফতরের এই পদক্ষেপকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন পরিবেশবিদরা। তারা বলছেন, শুধু আইন প্রয়োগ নয়, মানুষকেও সচেতন হতে হবে বন্যপ্রাণ রক্ষায়।এই ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের মতে, আগে থেকে গ্রামে এই ধরনের পাচারের ঘটনা ঘটেছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা উচিত। বন দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে।