নিউজ পোল ব্যুরোঃ সামনেই শক্তি পুজো। সে কথা মানুষের যাতে মনে থাকে সেই ব্যবস্থা করল বীরভূম দুবরাজপুরের বনহরি গ্রামের কিছু যুবক। বাচ্চা নিয়ে ডাক্তার দেখাতে যাওয়ার পথেই চাঁদার জুলুমের শিকার হতে হল। বাচ্চাকে, বাচ্চার মাকে। ঘটনা ক্রমে তিনি সেনা জওয়ানের (Army soldiers)স্ত্রী। সম্প্রতি কাশ্মীর থেকে ছুটিতে বাড়ি এসেছেন। সিউড়ি বড়বাগানের ৫-র পল্লীর এই ন্যক্কারজনক ঘটনায় একই সঙ্গে ছি ছিঃ আর অভিযুক্তদের খোঁজ চলছে।
[আরও পড়ুন] http://হাসিতেই লুকনো সাফল্যের চাবিকাঠি
বাচ্চাকে ডাক্তার দেখাতে যাওয়ার পথে কালিপুজোর চাঁদার জুলুমের মুখে সেনা জওয়ান। চাঁদা দিয়ে না চাওয়ার তাকে রাস্তায় ফেলে মারধরের অভিযোগ স্থানীয় ক্লাব সদস্যদের বিরুদ্ধে। বাধা দিতে গিয়ে আক্রান্ত স্ত্রী(Army soldiers)। হাতের মোবাইল ছিটকে পরে সেটাও ভেঙে গিয়েছে। বাচ্চাও কমবেশি আঘাতপ্রাপ্ত। অভাবনীয় এই ঘটনা সিউড়ি বড়বাগানের ৫ এর পল্লীর ঘটনা। কাশ্মীরে কর্মরত সেনা জওয়ান। ভারতের নিরাপত্তার দায়ভার যাদের কাঁধে। শেষে কিনা তাঁর ওপরেই জুলুম।
দুর্গাপুজোর পরে কালীপুজো। বারোয়ারি পুজোতে সর্বজনীন চাঁদা সংগ্রহ করেই পুজোর খরচ মেটাতে হয়। তাই বলে চাঁদা তুলে মারধর। তাও আবার দেশের সুরক্ষা বাহিনীর প্রতিনিধির গায়ে। স্বভাবতই পুলিশ অভিযোগ পেয়ে এলাকায় ছুটে এসে খুঁজে বেড়াচ্ছে ওই সব “বীর জওয়ানদের”। স্থানীয় কাউন্সিলর অনিল দাসও দুঃখ প্রকাশ করে জানালেন সেই কথা।
শিউড়ি থানার পুলিশ সেনা জওয়ানের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত করছে। মায়ের আরাধনার বোধনের আগেই এই ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনায় এলাকা থম্থমে। চাঁদার জুলুম এই রকম মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে আখেরে যে পাড়াগত ভাবেই আনন্দ পাল্টে যায় নিরানন্দে। সেনা জওয়ান গোপীনাথ বলের স্ত্রী চৈতি দেবী (Army soldiers)যথেষ্ট ক্ষুব্ধ। জানিয়েছেন সেই ক্ষোভের কথা। এখন পুজো বন্ধের আশংকায় এলাকাবাসির করুণ অবস্থা। কান টানলে মাথা আসের অংকে পুলিশ একজনকে ইতিমধ্যেই আটক করেছে। বাকিদের তল্লাশি চলছে।
