Security of BLO: এসআইআর শুরুর আগে উদ্বেগ বাড়াল নিরাপত্তা প্রশ্ন, কমিশনে শমীক-দল

রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: চলতি সপ্তাহ থেকেই শুরু হচ্ছে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR প্রক্রিয়া। রাজ্যের প্রতিটি এলাকায় বুথ লেভেল অফিসার-রা (Security of BLO) বাড়ি-বাড়ি ঘুরে ফর্ম বিলি ও নথি যাচাইয়ের কাজ শুরু করবেন। এই গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া ঘিরেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিজেপি। আজ, মঙ্গলবার, দিল্লিতে ইলেকশন কমিশন অফ ইন্ডিয়া (ECI)-র কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, বাংলার দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় নেতা বিপ্লব দেব ও অমিত মালবীয়।

আরও পড়ুন:SSC Recruitment: ‘অযোগ্য’ তালিকায় শিক্ষাকর্মীরাও! এসএসসি-র প্রকাশিত তালিকায় নাম ৩,৫১২ জনের

বৈঠকে বিজেপি নেতৃত্বের মূল উদ্বেগ ছিল রাজ্যে কর্মরত বিএলও-দের নিরাপত্তা। তাঁদের অভিযোগ, তৃণমূল (TMC) বিভিন্ন জায়গায় বিএলও-দের ভয় দেখাচ্ছে এবং এসআইআর প্রক্রিয়া (SIR process) ব্যাহত করার চেষ্টা করছে। বিজেপির দাবি, ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় যাতে কোনও রকম রাজনৈতিক বাধা না আসে, তা নিশ্চিত করতে হবে কমিশনকে। প্রয়োজনে বিএলও-দের কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Security Forces) সুরক্ষা দেওয়ারও অনুরোধ জানান তাঁরা।

অমিত মালবীয় বৈঠক শেষে বলেন, “বিএলও-রা যাতে নথি সঠিকভাবে যাচাই করেন, সে বিষয়ে কমিশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অনেক সময় পড়শি দেশ থেকে আসা মানুষদের কাছেও নানা রকম নথি পাওয়া যায়। কিন্তু কমিশনের অনুমোদিত বারোটি নথির বাইরের কোনও কাগজ যেন ভোটার তালিকা তৈরিতে গ্রহণ না করা হয়, সে দিকটি আমরা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছি।”

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক: https://youtube.com/@thenewspole

অন্যদিকে, রাজ্য জুড়ে এখন শংসাপত্র (certificate) সংগ্রহের হিড়িক পড়েছে। ডোমিসাইল সার্টিফিকেট (Domicile Certificate) ও স্কুল লিভিং সার্টিফিকেট (School Leaving Certificate) পেতে বিভিন্ন সরকারি অফিস ও স্কুলে লম্বা লাইন পড়েছে। বিজেপির অভিযোগ, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় (2002 voter list) যাঁদের নাম ছিল না, তাঁদের নথি এবার বিশেষভাবে খতিয়ে দেখা উচিত।

এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হতেই রাজনৈতিক তাপমাত্রা বেড়েছে রাজ্যে। ইতিমধ্যেই তৃণমূল এই প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছে। আগামীকাল পথে নামবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জী। তাঁদের দাবি, বিজেপি প্রশাসনিক যন্ত্রকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিতে চাইছে। নির্বাচন কমিশন যদিও জানিয়েছে, নিরপেক্ষভাবে এবং কঠোর নিয়ম মেনে এই এসআইআর প্রক্রিয়া চলবে। তবুও মাঠপর্যায়ে নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই এখন রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু।