নিউজ পোল ব্যুরো: সকালে ঘুম ভাঙলেই তাড়াহুড়ো করে বিছানা গুছিয়ে ফেলা অনেকেরই অভ্যাস। ঘর গোছানো ও শৃঙ্খলায় বিশ্বাসী মানুষের কাছে এটি যেন নিত্যদিনের নিয়ম। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, এই আচরণ আদতে স্বাস্থ্যের পক্ষে মোটেই ভাল নয়। বরং এটি শরীরের অজান্তে বাড়িয়ে দিতে পারে নানা অসুস্থতার আশঙ্কা যা মোটেই কার্যকর (Bedroom hacks) নয়, বরং ঝুঁকিপূর্ণ।
বিশেষজ্ঞদের ব্যাখ্যা, রাতভর শরীর থেকে নির্গত ঘাম বিছানার চাদর, বালিশ এবং তোষকের তুলোর মধ্যে জমে থাকে। ফলে পুরো বিছানাই হয়ে ওঠে স্যাঁতস্যাঁতে। আর্দ্র পরিবেশে দ্রুত বৃদ্ধি পায় নানা জীবাণু ও ধুলোবালির মাইট। এগুলিই তৈরি করে অ্যালার্জেন, যা সর্দি-কাশি, হাঁচি, শ্বাসকষ্ট এমনকি অ্যাজ়মার মতো সমস্যার অন্যতম কারণ। অর্থাৎ, সকালে বিছানা গুছিয়ে রাখা দীর্ঘমেয়াদে মারাত্মক হতে পারে। এই অভ্যাস আদতে সঠিক (Bedroom hacks) নয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ, ঘুম থেকে ওঠার পর বিছানাকে অন্তত এক ঘণ্টা খোলা অবস্থায় রেখে দেওয়া উচিত। জানালা খোলা থাকলে ঢোকে বাতাস ও সূর্যের আলো, যা বিছানার আর্দ্রতা কমিয়ে জীবাণুর পরিমাণ স্বাভাবিক ভাবেই কমাতে সাহায্য করে। একটি পরিসংখ্যান বলছে, মাত্র দু’বছর ব্যবহার করা একটি বালিশের মধ্যে প্রায় ১ কোটি জীবাণু থাকতে পারে। তাই বিছানাকে সময় দিয়ে শুকোতে দেওয়াই আসল (Bedroom hacks)।
তবে শুধু বিছানাকে খোলা রেখে দিলেই দায়িত্ব শেষ নয়। চাদর ও বালিশের কভার সপ্তাহে অন্তত দু’বার ধোয়া উচিত। সম্ভব না হলে অন্তত সপ্তাহে একবার বদলাতে হবে। এতে জীবাণুর বিস্তার অনেকটাই কমে। পাশাপাশি ঘরে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখা উচিত। এতে ধুলো-মাইট জমে থাকার আশঙ্কা কমে। পরিষ্কার-পরিছন্নতার এই অভ্যাসগুলিই প্রকৃত (Bedroom hacks), যা ঘর রাখবে সতেজ এবং আপনাকে রাখবে সুস্থ। চিকিৎসকেরা বলছেন, দিনের শুরুতে কিছু ছোট অভ্যাস বদলালেই ঘুমের পরে বিছানায় তৈরি হওয়া আর্দ্রতা ও জীবাণুর সমস্যা থেকে সহজেই রক্ষা পাওয়া যায়। তাই সকালে বিছানা গুছিয়ে ফেলার বদলে যথাযথ (Bedroom hacks) মেনে বিছানাকে আগে শুকোতে দিন স্বাস্থ্যই থাকবে ভাল, ঘরও থাকবে পরিষ্কার।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
