WBSSC: ১২০০ প্রার্থীর নথি যাচাই, শুরু ইন্টারভিউয়ের কাউন্টডাউন

শিক্ষা

নিউজ পোল ব্যুরো: স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC) এ বার নথি যাচাইয়ের পাশাপাশি ইন্টারভিউ পর্বও শুরু করার সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিক ভাবে জানাল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত নতুন বিজ্ঞপ্তিতে কমিশন জানায়, বাংলা ও ইংরেজি— দুই মাধ্যমেই যাদের নথি যাচাই চলছে, তাদের আগামী ২৬ নভেম্বর থেকে আঞ্চলিক ভিত্তিতে ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হবে। নথি যাচাইয়ের পর কোন কোন অঞ্চলে, কীভাবে প্রার্থীদের ইন্টারভিউ নেওয়া হবে, তা শীঘ্রই বিস্তারিত ভাবে জানানো হবে বলে কমিশনের তরফে স্পষ্ট করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:AIFF Meeting: ফেডারেশনের বৈঠকে ছিল না কলকাতার দুই প্রধান, মিলল না সুরাহা

শিক্ষা দফতর ও এসএসসি দু’পক্ষের মত, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সমগ্র নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা বাধ্যতামূলক। সেই সময়সীমা মানতে গেলে একাধিক আঞ্চলিক কেন্দ্র ব্যবহার ছাড়া উপায় নেই। কমিশনের মোট পাঁচটি অঞ্চল, উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম এবং দক্ষিণ–পূর্ব এই পাঁচ জায়গাতেই এবার ইন্টারভিউ আয়োজন করা হবে। আগে, বিশেষত ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগে, এমন অঞ্চভিত্তিক ইন্টারভিউ নেওয়া হয়েছিল। তবে বর্তমানে যে উচ্চ প্রাথমিক (Upper Primary) ইন্টারভিউ চলছে, সেটি আবার কেন্দ্রীয় পদ্ধতিতে সম্পন্ন হচ্ছে। দফতরের যুক্তি, কেন্দ্রীয়ভাবে (centralised interview) ইন্টারভিউ নিলে কয়েক মাস সময় লেগে যেতে পারে। ফলে নিয়োগের গতি মন্থর হবে। আঞ্চলিকভাবে একই সঙ্গে একাধিক দলের মাধ্যমে ইন্টারভিউ নেওয়া গেলে, কার্যত অর্ধেক সময়েই প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব হবে। এতে আদালতের নির্দেশ পালন করা যেমন সহজ হবে, তেমনই দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় থাকা চাকরিপ্রার্থীদেরও দ্রুত সুরাহা মিলবে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole

এ দিনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বুধবার একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণির ইংরেজি বিষয়ের প্রার্থীদের নথি যাচাই নির্ধারিত হয়েছে। মোট প্রায় ১,২০০ প্রার্থীকে ডাকা হয়েছে এই পর্যায়ে। মঙ্গলবারের নথি যাচাই পর্বে ৭০০-র বেশি প্রার্থী হাজির থাকলেও, ৬ জন প্রার্থী অনুপস্থিত ছিলেন বলে কমিশন সূত্রে জানা গেছে। কমিশনের কর্মকর্তাদের মতে, নথি যাচাই প্রক্রিয়া এখন অনেকটাই গতি পেয়েছে এবং পরবর্তী কয়েক দিনের মধ্যেই সব বিষয়ের প্রার্থীদের নথি যাচাই শেষ করা হবে।এসএসসি আশা প্রকাশ করেছে যে, পরিকল্পিতভাবে আঞ্চলিক ইন্টারভিউ চালু হলে নিয়োগ প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতা কমবে এবং বহু বছর ধরে অপেক্ষায় থাকা হাজার হাজার শিক্ষকের স্বপ্ন পূরণের পথ আরও প্রশস্ত হবে।