Chandigarh Article 240:চণ্ডীগড়ে আর্টিকেল ২৪০ বিতর্ক: ‘রাজধানী চুরি’ নিয়ে উত্তাপ, কেন্দ্র বলল—”এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি”

দেশ

নিউজ পোল ব্যুরো:চণ্ডীগড়কে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের কাঠামোর মধ্যে আনার সম্ভাবনা ঘিরে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র উত্তাপ সৃষ্টি হয়েছে। পাঞ্জাব ও হরিয়ানার যৌথ রাজধানী এই শহরের প্রশাসনিক ভবিষ্যত নিয়ে জোর জল্পনা চলছিল। শোনা যাচ্ছিল, শীতকালীন সংসদ অধিবেশনে কেন্দ্র একটি বিল পেশ করতে পারে, যা চণ্ডীগড়কে সংবিধানের ২৪০ অনুচ্ছেদের (Chandigarh Article 240) আওতায় আনার পথ খুলবে।

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2025/11/23/kunal-ghosh-comeback-12-years-after-arrest/

কিন্তু কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সম্প্রতি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই বিষয়ে যে আলোচনা শুরু হয়েছে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। কোনো সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়নি। পাশাপাশি পাঞ্জাব ও হরিয়ানার সঙ্গে কেন্দ্রের দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ককেও গুরুত্ব দিয়ে বলা হয়েছে, বিদ্যমান শাসন কাঠামো বা দুটি রাজ্যের সঙ্গে চণ্ডীগড়ের সম্পর্ক বদলানোর কোনো পরিকল্পনা নেই।

ঘটনার সূত্রপাত হয় সংসদের একটি বুলেটিন থেকে, যেখানে আন্দামান-নিকোবর, দাদরা ও নগর হাভেলি, দমন-দিউ, লাক্ষাদ্বীপ ও পুদুচেরির মতো কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের তালিকায় চণ্ডীগড়কেও যুক্ত করার প্রস্তাব উঠে আসে। পাঞ্জাবের আপ সরকার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রকে তীব্র আক্রমণ করে। মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত সিংহ মান বলেন, চণ্ডীগড় এখনও পাঞ্জাবের অংশ এবং রাজধানীর অধিকার একমাত্র পঞ্জাবের। আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরীওয়ালও একই সুরে প্রশ্ন তোলেন।

বিরোধী শিবিরও সরব। পাঞ্জাব কংগ্রেস সভাপতি অমরিন্দর সিংহ রাজা এই সম্ভাব্য সিদ্ধান্তকে ‘‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’’ দাবি করেছেন। শিরোমণি অকালি দলনেতা সুখবীর সিংহ বাদল বলেন, এটি পাঞ্জাবের অধিকার লঙ্ঘনের সমতুল্য।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্কhttp://:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

১৯৬৬ সালে পাঞ্জাব-হরিয়ানা বিভাজনের সময় চণ্ডীগড়কে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে বর্তমানে এটি দুই রাজ্যের যৌথ রাজধানী এবং পাঞ্জাবের রাজ্যপালই চণ্ডীগড় (Chandigarh Article 240) প্রশাসকের দায়িত্বে রয়েছেন। বহু বছর ধরে পাঞ্জাব চণ্ডীগড়কে পূর্ণাঙ্গ রাজধানী হিসেবে দাবি করে আসছে। পাঞ্জাব বিজেপির প্রধান সুনীল জাখরও বলেছেন, রাজ্যের স্বার্থে তারা দৃঢ় অবস্থানে থাকবে। তবে বিভ্রান্তি এড়াতে কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধান খোঁজা উচিত। রাজনৈতিক অঙ্গন এখন প্রশ্ন করছে—চণ্ডীগড়ের প্রশাসনিক কাঠামো কি বদলাবে, নাকি বিদ্যমান অবস্থাই বজায় থাকবে?