Women’s T20 World Cup for the Blind: ফের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ভারতের মেয়েরা

ক্রীড়া

নিউজ পোল ব্যুরো: তারা নামলেন, খেললেন জিতলেন। প্রথমবার বিশ্বমঞ্চে খেললেন আর প্রথমবারই শিরোপা নিজেদের নাম করে নিল্রন ভারতের মেয়েরা। ইতিহাস গড়ে মহিলা দৃষ্টিহীনদের টি-২০ বিশ্বকাপের (Women’s T20 World Cup for the Blind) চ্যাম্পিয়ন ভারত। কলম্বোতে নেপালকে ৭ উইকেটে হারিয়ে ট্রফি জিতল দল, টুর্নামেন্টে একটিও ম্যাচ না হেরে।

আরও পড়ুন:ISL Situation : আইএসেলের অচলাবস্থা কাটাতে একজোট হয়ে ক্লাবগুলি চিঠি দিল কল্যান চৌবেকে

টস জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। শুরু থেকেই বোলাররা ছন্দে—টাইট লাইন, নির্দিষ্ট লেন্থ, ধারাবাহিক নিয়ন্ত্রণ। ১১৪ তুলেই নেপাল থমকে যায়। ফিল্ডিং তীক্ষ্ণ। রান আটকানো ও চাপ তৈরি—দুটোই ছিল পরিকল্পনার অংশ। যা কাজে লাগায় টিম ইন্ডিয়া।

টার্গেট খুব বড় ছিল না। তার উপর ওপেনাররা শুরুতেই ম্যাচকে নিজেদের কব্জায় টেনে নেন। ১০ ওভারেই দল ১০০ ছুঁয়ে ফেলে। মোড় পুরোপুরি ঘুরিয়ে দেন ফুলা সরেন (Phula Saren)—২৭ বলে ৪৪ রান, চারটি চার, স্ট্রাইক রেট ১৬২.৯৬। ব্যাটিংয়ে কোনও খুঁত ছিল না। পুরোদস্তুর ছন্দে, তীব্র আত্মবিশ্বাসে ইনিংস নিয়ন্ত্রণে রাখেন। ১৩তম ওভারে ফাইন লেগ দিয়ে মারা চারেই ম্যাচ শেষ করেন তিনি। শুধু ব্যাট নয়, ২০ রানে তিন ওভার বলও করেন। নিখুঁত অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ম্যাচ-সেরার পুরস্কার ফুলার ঝুলিতে।

সেমিফাইনাল থেকে ফাইনাল—সব জায়গায় ভারতের আধিপত্য স্পষ্ট। শুরুর ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ৪১ রানে অল-আউট করে মাত্র ৩ ওভারে জয়লাভ! সেই লড়াইয়ে সাতখানা রানআউট—দুরন্ত ফিল্ডিং! অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ভারত তোলে ২৯২/৪—দীপিকা টিসি-র (Deepika TC) ৯১ ও ফুলার অপরাজিত ৫৪। জবাবে অস্ট্রেলিয়া ৫৭–তেই গুটিয়ে যায়।

এরপর সামনে পাকিস্তান। তাদের বিরুদ্ধে ১৩৬ তাড়া করতে লাগে ১০.২ ওভার—দীপিকা ও অনেখা দেবীর (Anekha Devi) ইনিংসে একপেশে জিত। শেষ চারে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ভারত ওঠে ফাইনালে। আজ নেপালের বিরুদ্ধে চাপ সামলে লড়াই জেতার কৌশল দেখালেন মেয়েরা। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দাপট অব্যহত। বোলিং, ব্যাটিং, ফিল্ডিং—তিন বিভাগেই সকলকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

এহেন জয়ে শুধু ট্রফি নয়, মহিলা ব্লাইন্ড ক্রিকেটের (Women’s Blind Cricket) জন্যও এক নতুন ভবিষ্যতের দরজা খুলে গেল। এই ফরম্যাটে ভারতের দাপটে দেয়াললিখন সাফ—দল তৈরি, দক্ষতা তৈরি এবং টুর্নামেন্ট জেতা—সবই সম্ভব, যদি পরিকল্পনা ও প্রয়োগ নিখুঁত হয়।