নিউজ পোল ব্যুরো: মাত্র ৩০ মিনিট কাজ করেই মাসে ১৮ হাজার টাকা বেতন! আর সেই সময়সীমা মেনে তিনি কাজ করেন প্রায় ১০ থেকে ১২টি বাড়িতে। সব মিলিয়ে মাসে তাঁর আয় ১.৮ লক্ষ থেকে ২ লক্ষ টাকার কাছাকাছি। সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক পোস্টে উঠে এসেছে এই অবিশ্বাস্য তথ্য। মুম্বইয়ের আইনজীবী আয়ুশী দোশীর শেয়ার করা এই দাবি ঘিরে এখন তুমুল আলোচনা— Chef–এর বেতন (Cooking chef Salary) কি সত্যিই এতটা উঁচু?
আয়ুশীর পোস্ট অনুযায়ী, তাঁদের বাড়ির রাঁধুনি, যাকে তাঁরা ভালোবেসে ‘মহারাজ’ বলে ডাকেন, মাত্র ৩০ মিনিট রান্না করেই নেন ১৮ হাজার টাকা মাসিক বেতন। তাঁর দাবি, প্রতিটি বাড়ি থেকেই রাঁধুনি একই টাকা নেন। আরও বলেন, “আমাদের মহারাজ সর্বত্র খাবার, জলখাবার, চা পান— সবই বিনামূল্যে পান। আর সময়মতো বেতনের নিশ্চয়তা তো আছেই।”এই পোস্ট ছড়িয়ে পড়তেই নেটিজেনদের উত্তেজনা চরমে। কেউ অবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন, কেউ আবার বলছেন— মুম্বইয়ের মতো বড় শহরে গৃহশ্রমিক বা কুকদের বেতন এমন হওয়াই স্বাভাবিক। অনেকেই মন্তব্য করছেন, ‘‘শহরের চাহিদা ও সময়ের মূল্য বুঝলে Chef–এর বেতন (Cooking chef Salary) বাড়া অস্বাভাবিক নয়।’’ অন্যদিকে কিছু নেটাগরিক কৌতূহলী— ৩০ মিনিটে আদৌ কী রান্না করা সম্ভব? বড় প্রশ্ন ওঠে সময় ব্যবস্থাপনা নিয়েও: ‘‘১০–১২টি বাড়িতে কাজ করে রাঁধুনি কীভাবে যাতায়াত ও সময় মিলিয়ে নেন?’’
তবে অনেকে বলছেন, শহুরে কর্মজীবীদের বাড়িতে সকাল বা সন্ধ্যার জন্য দ্রুত রান্নার চাহিদা এখন বেড়ে গেছে। ফলে এই ধরনের পেশাদার রাঁধুনিদের গুরুত্ব এবং Chef–এর বেতন (Cooking chef Salary) স্বাভাবিকভাবেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেকে তুলনা টেনে বলেছেন, ‘‘কর্পোরেট চাকরিতে যেখানে বেতন পেতে অনুরোধমেইল দিতে হয়, সেখানে দক্ষ রাঁধুনিরা নিজের সময়ের মূল্যটা বুঝিয়ে নিচ্ছেন।’’ এই ঘটনায় আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে শহুরে পরিবারের ওপর নির্ভরশীল রান্নার সাহায্যকারীদের আয়, মানসিক চাপ ও বাজারে তাঁদের চাহিদা। বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় শহরগুলিতে সময়ের অভাবই এই পেশাকে শক্তিশালী করছে এবং Chef–এর বেতন (Cooking chef Salary) আগামী দিনে আরও বাড়তে পারে। সামাজিক মাধ্যমে এখন সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্ন “৩০ মিনিটে দুই লক্ষ সত্যিই কি এটিই শহুরে কুকদের ভবিষ্যত মানদণ্ড?”
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
