নিউজ পোল ব্যুরো: গত রবিবার ব্রিগেডে (Brigade Parade Ground) গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে (Gita Path Event) প্যাটিস বিক্রেতাদের (Patties Sellers) উপর হামলার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে ময়দান থানার পুলিশ (Maidan Police)। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন সৌমিক গোলদার, স্বর্ণেন্দু চক্রবর্তী এবং তরুণ ভট্টাচার্য। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সৌমিকের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার গোবরডাঙা, স্বর্ণেন্দু অশোকনগরে থাকেন এবং তরুণ হুগলির উত্তরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। ঘটনাটি ঘটে রবিবার ব্রিগেডে (Brigade Ground) যখন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (Governor C.V. Anand Bose) এবং পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির (West Bengal BJP) শীর্ষ নেতারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ময়দানের চত্বরে দু’জন প্যাটিস বিক্রেতাকে (Patties Vendors) বিক্রির জন্য মারধর করা হয়। এমনকি এক বিক্রেতাকে (Vendor) কান ধরে ওঠবস করানোর ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে।
পরবর্তী মঙ্গলবার, মহম্মদ সালাউদ্দিন এবং শেখ রিয়াজুল নামে দুই প্যাটিস বিক্রেতা (Patties Sellers Complaint) ময়দান থানায় অভিযোগ (Police Complaint) দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ জোড়া এফআইআর (FIR) রুজু করে। এরপরেই তদন্ত শুরু হয় এবং ঘটনার ভিডিও (Video Evidence) ও ছবি (Photos) সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ জানিয়েছে, সেই ভিডিও এবং ছবির বিশ্লেষণের মাধ্যমে তিন অভিযুক্তকে চিহ্নিত করা হয়। সূত্র অনুযায়ী, ভিডিওতে হামলার মুহূর্ত স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে। এফআইআরের দুই দিনের মধ্যে তিনজনকেই (Three Arrested) গ্রেফতার করা হয়।ময়দান থানার পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত এখনও চলছে (Investigation Ongoing)। অভিযুক্তরা কি কোনো রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট (Political Angle) থেকে এই হামলা চালিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া, হামলার শিকার দুই প্যাটিস বিক্রেতার (Patties Sellers Victims) নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
এই ঘটনায় সামাজিক মাধ্যমে (Social Media) ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই ভিডিওটি (Viral Video) শেয়ার করেছেন এবং নেটিজেনরা (Netizens) প্রশ্ন তুলেছেন, এই ধরনের ঘটনা কিভাবে ঘটল, বিশেষ করে এমন একটি সরকারি অনুষ্ঠানের সময়। পুলিশ জানিয়েছে, হামলার সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য ব্যক্তিদেরও শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এই ঘটনায় প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ (Quick Action) এবং গ্রেফতার কার্যক্রম প্রশংসিত হলেও, সামাজিক ও রাজনৈতিক মহল থেকে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি উঠেছে।
