Soha Ali Khan: মেয়েকে মোবাইল থেকে দূরে রাখতে কী করেন সোহা আলি খান? জানালেন নিজেই

পেজ 3 লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: বর্তমান সময়ে ছোট শিশুদের খাওয়ানো যেন অনেক বাবা-মায়ের কাছেই এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আড়াই বছরের শিশুকে এক গ্রাস খাওয়াতেও লেগে যাচ্ছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। শেষমেশ অনেকেই বাধ্য হয়ে মোবাইল ফোনে কার্টুন বা ভিডিও চালিয়ে দেন। তখনই যেন ম্যাজিকের মতো কাজ হয়, শিশু অনায়াসেই খাবার খেয়ে নেয়। কিন্তু এই অভ্যাসই ধীরে ধীরে তৈরি করছে ভয়ংকর এক সমস্যা, স্ক্রিন আসক্তি। শুধু চোখের ক্ষতি নয়, এই অভ্যাস প্রভাব ফেলছে শিশুর মানসিক ও সামাজিক বিকাশেও।

আরও পড়ুন;Christmas Special Recipes: বড়দিনে অতিথি আসছে হঠাৎ? ১০ মিনিটেই বানান সুস্বাদু পার্টি স্ন্যাকস

এই প্রসঙ্গে সম্প্রতি অভিনেত্রী সোহা আলি খান এক সাক্ষাৎকারে নিজের অভিজ্ঞতার কথা ভাগ করে নিয়েছেন। তিনি জানান, শুধুমাত্র বকাঝকা করে বা জোর করে শিশুদের স্ক্রিন থেকে দূরে রাখা যায় না। বরং এতে শিশুর জেদ আরও বেড়ে যায় এবং বাবা-মায়ের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়। সোহার মতে, আজকের শিশুরা এমন এক ডিজিটাল দুনিয়ায় বড় হচ্ছে, যেখানে প্রযুক্তি তাদের কৌতূহল আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। তাই এই কৌতূহলকে দমন না করে সঠিক পথে চালিত করাই সবচেয়ে জরুরি। নিজের মেয়ে ইনায়ার উদাহরণ দিয়ে সোহা জানান, তাদের বাড়িতে একটি পোষ্য রয়েছে, যেটি ইনায়ার জীবনে অত্যন্ত ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। পোষ্যের সঙ্গে সময় কাটাতে গিয়ে ইনায়া দায়িত্ববোধ, সহানুভূতি ও যত্ন নেওয়ার মতো গুণ শিখছে। স্ক্রিনের বদলে বাস্তব জীবনের সঙ্গে যুক্ত থাকার সুযোগ পাচ্ছে সে। সোহার মতে, এই ধরনের অভিজ্ঞতাই শিশুদের মানসিক বিকাশে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।

তিনি আরও বলেন, অনেক পরিবারেই শিশুদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না। কিন্তু তাঁর বাড়িতে ইনায়াকে কথা বলার, প্রশ্ন করার ও নিজের অনুভূতি প্রকাশের পূর্ণ সুযোগ দেওয়া হয়। পাশাপাশি, কোথায় সীমা টানতে হয়, সেটাও সে শিখে নিয়েছে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

সোহা আলি খানের মতে, বাবা-মায়ের সঙ্গে মানসিক দূরত্ব তৈরি হলেই শিশুরা স্ক্রিনের দিকে বেশি ঝুঁকে পড়ে। তাই পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, গল্প করা, একসঙ্গে খেলা—এই ছোট ছোট বিষয়ই শিশুকে প্রযুক্তিনির্ভরতা থেকে দূরে রাখতে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা নেয়।