Suvendu Adhikari remarks on Amartya Sen:‘ওঁর কোনও কনট্রিবিউশন নেই’—অমর্ত্য সেনকে কটাক্ষ শুভেন্দুর!

রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো:এসআইআর (Special Intensive Revision) প্রক্রিয়াকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক ক্রমশ তীব্র আকার নিচ্ছে। এরই মধ্যে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের মন্তব্য নতুন করে চাপান–উতোরে ঘি ঢেলেছে।অমর্ত্য সেনের প্রকাশ্য ক্ষোভের জবাবে বিজেপি বিধায়ক ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari remarks on Amartya Sen) কটাক্ষের সুরে তাঁর ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অমর্ত্য সেন বলেন, ভোটার তালিকা সংশোধন একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া হলেও পশ্চিমবঙ্গে যেভাবে এসআইআর কার্যকর করা হচ্ছে, তাতে অযথা তাড়াহুড়ো লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তাঁর আশঙ্কা, পর্যাপ্ত সময় না দিলে বহু নাগরিক নিজেদের ভোটাধিকার প্রমাণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন, যা গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপন্থী।

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2026/01/25/mamata-banerjee-national-voters-day-election-commission-sir-controversy/

অমর্ত্য সেনের এই মন্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari remarks on Amartya Sen)। কটাক্ষের সুরে তিনি বলেন, “ওঁর কথার জবাব দেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। উনি সবসময় এই ধরনের কথা বলেন। ওঁর কোনও কনট্রিবিউশন নেই।” শুভেন্দুর দাবি, পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষিত যুবকদের কর্মসংস্থান হোক বা গরিব মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়—এমন কোনও ক্ষেত্রেই অমর্ত্য সেনের ভূমিকার উদাহরণ নেই। তাঁর মতে, “যাঁদের বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও অবদান নেই, তাঁদের বক্তব্যের উত্তর দেওয়ার প্রয়োজনও নেই।”

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্কhttps://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

শুভেন্দু অধিকারীর এই মন্তব্যে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, “একজন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদকে নিয়ে এই ধরনের মন্তব্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। তাঁর নেতা নরেন্দ্র মোদীর বাংলার জন্য অবদান কী, সেটাই আগে বলা উচিত।” তিনি আরও বলেন, “নোবেল পুরস্কার বুঝে-শুনেই দেওয়া হয়। অথচ আজ বাংলার সেই মানুষদের নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে লাইনে দাঁড় করানো হচ্ছে, যাঁরা একদিন স্বাধীনতা সংগ্রামে লড়েছিলেন।”

এসআইআর প্রক্রিয়া ও ভোটাধিকার নিয়ে এই পাল্টা-পাল্টি মন্তব্যে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ যে আরও বাড়বে, তা বলাই বাহুল্য।