Abhijit Gangopadhyay explosive claim:”নতুন কেলেঙ্কারির পর্দাফাঁস হতে চলেছে রাজ্যে, আমি ক্লু পেয়েছি” — বিস্ফোরক দাবি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের!

রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো:কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি তথা বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Gangopadhyay explosive claim) এক বিস্ফোরক মন্তব্যে ফের উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। তাঁর দাবি, খুব শীঘ্রই রাজ্যে একটি বড়সড় কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে আসতে পারে। সেই কেলেঙ্কারি সামনে এলে গোটা পশ্চিমবঙ্গে টানা ৭২ ঘণ্টার বনধ ডাকা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2026/01/25/suvendu-adhikari-remarks-on-amartya-sen/

এক ধাপ এগিয়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay explosive claim) বলেন, যতক্ষণ না রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগ করছেন, রাজ্যপালের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া হচ্ছে এবং পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হচ্ছে, ততক্ষণ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া উচিত। তাঁর কথায়, পরিস্থিতি আরও গুরুতর হলে ৭২ ঘণ্টা নয়, ১৪৪ ঘণ্টার বনধ ডাকার প্রয়োজনও হতে পারে।

প্রাক্তন বিচারপতির দাবি, “খুব শীঘ্রই একটা কেলেঙ্কারি উদ্ঘাটিত হতে পারে। আমি কিছু ক্লু পেয়েছি। কীভাবে পর্দাফাঁস করা যায়, তার অপেক্ষায় রয়েছি। এখনও সব তথ্য আমার হাতে নেই। একটু সময় লাগবে। যদি এই বিষয়টি প্রকাশ্যে না আসে, তাহলে আদালতেই দেখা হবে।” যদিও এই দুর্নীতি শিক্ষাক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত নাকি অন্য কোনও ক্ষেত্রের, সে বিষয়ে কোনও স্পষ্ট ইঙ্গিত দেননি তিনি।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্কhttps://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় আরও জানান, দুর্নীতির বিষয়টি আদালতের মাধ্যমেও সামনে নাও আসতে পারে। তবে আদালতের বাইরে যদি এই তথ্য প্রকাশ্যে আসে, তাহলে ধারাবাহিক বনধ ডেকে সরকারকে উৎখাত করা ছাড়া আর কোনও উপায় থাকবে না বলেই তাঁর মত।

এই মন্তব্য ঘিরে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের আইটি সেলের প্রধান দেবাংশু ভট্টাচার্য কটাক্ষ করে বলেন, “পাঁচ বছর ধরে প্রতি ডিসেম্বরেই শুনছি সরকার পড়বে, হাঁড়ি ভাঙবে, বেলুন ফাটবে। প্রতি বছরই ডেডলাইন দেওয়া হয়, কিন্তু বাস্তবে কিছুই হয় না।”

তিনি আরও বলেন, “অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যের ঘরানা নকল করছেন। কয়েকদিন আগেই তিনি প্যাটিস কাণ্ডসহ একাধিক বিষয়ে বিজেপির নীতির বিরুদ্ধেও মুখ খুলেছিলেন। কিন্তু বিজেপি নেতৃত্ব কি তাঁর কথা শুনেছে? উল্টে তাঁকে চুপ করে থাকতে বলা হয়েছে। যে প্রাক্তন বিচারপতি নিজের দলকেই সামলাতে পারেন না, তিনি ভোটের আগে ভবিষ্যদ্বাণী করতে যাবেন না।” এই বক্তব্য ও পাল্টা বক্তব্যে ফের একবার রাজনৈতিক চাপানউতোরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বাংলার রাজনীতি।