নিউজ পোল ব্যুরো: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেও ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হল ভাঙড়ে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক ভূমিকা এবং নির্বাচনী স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অভিযোগ, শুনানি কেন্দ্রে ঢুকে মাইক্রো অবজার্ভারদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন।
আরও পড়ুন: Ai: IT সেক্টরে লাল সংকেত, গ্লোবাল টেক সেলঅফের ধাক্কা ভারতে!
সূত্রের খবর, বিডিও অফিসে ডেকে মাইক্রো অবজার্ভারদের চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর হয়ে ওঠে যে কমিশন দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে মাইক্রো অবজার্ভারদের সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেয়। একই সঙ্গে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের ভূমিকাও খতিয়ে দেখছে কমিশন। এই ঘটনায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, কীভাবে নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরা এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে দিলেন। ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে ভাঙড় এলাকার এক পঞ্চায়েত প্রধানের নাম। অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান শাহজাহান মোল্লা মাইক্রো অবজার্ভারদের নথি যাচাই না করে অনুমোদন দিতে চাপ দেন। যদিও এই অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিষয়টি ঘিরে নাম জড়িয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস-এরও। মাইক্রো অবজার্ভারদের দাবি, শুনানির পরেও বহু ভোটারের নথিতে অসঙ্গতি ছিল। নিয়ম মেনে যাচাই করতেই ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় তাঁদের। অভিযোগ, যাচাই না করেই নথি পাশ করাতে বলা হয়। এমনকি ক্ষতির হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন অবজার্ভাররা।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
এছাড়াও অভিযোগ উঠেছে কিছু প্রশাসনিক আধিকারিকের বিরুদ্ধেও। হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজের মাধ্যমে কম নজরদারিতে নথি অনুমোদনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ভাঙড়ের বিডিও-র বিরুদ্ধেও বৈঠক ডেকে চাপ তৈরির অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ায় মাইক্রো অবজার্ভাররা সরাসরি নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হন। কমিশন ইতিমধ্যেই ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে আরও কড়া নজরদারি চালানো হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।
