নিউজ পোল ব্যুরো: ১৫ ফেব্রুয়ারির সন্ধ্যা নামতেই পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে আবারও শীতের মৃদু অনুভূতি ফিরে আসছে। যদিও দিনের বেলায় রোদের তেজ কিছুটা বাড়ছে, তবুও রাত নামলেই ঠান্ডা হাওয়ার স্পর্শ টের পাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এই পরিস্থিতিকে শীতের শেষ পর্ব বলা যেতে পারে, যেখানে শীত পুরোপুরি বিদায় না নিলেও তার তীব্রতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। এই সময়ের আবহাওয়াকে বলা হচ্ছে শীতের আমেজ, যা বিশেষ করে রাত ও ভোরের দিকে বেশি অনুভূত হচ্ছে।
আরও পড়ুন:Awas Yojana funds: অন্য রাজ্যেও নজরদারি, তবুও টাকা পাচ্ছেনা বাংলা! কেন্দ্রকে তোপ রাজ্যের
আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রাজ্যে আপাতত আবহাওয়া শুষ্কই থাকবে। উত্তরের দিক থেকে ঠান্ডা হাওয়া ঢোকার প্রবণতা কমে এসেছে। একইসঙ্গে গরম হাওয়াও এখনও প্রবেশ করেনি। ফলে তাপমাত্রার বড় কোনও ওঠানামা আপাতত দেখা যাচ্ছে না। আগামী সাত দিন রাতের তাপমাত্রা প্রায় একই থাকবে বলেই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। দিনের বেলা রোদের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও, রাতের দিকে এখনও হালকা গরম জামার প্রয়োজন পড়ছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চল ও খোলা এলাকায় ঠান্ডার অনুভূতি তুলনামূলক বেশি থাকতে পারে। এই সময়টাকে ঋতু পরিবর্তনের সময় হিসেবেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় ভোরের দিকে ঘন কুয়াশা দেখা যেতে পারে। বিশেষ করে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং উত্তর দিনাজপুর জেলায় ভোরের দিকে দৃশ্যমানতা অনেকটাই কমে যেতে পারে। কোথাও কোথাও তা ৯৯৯ মিটার থেকে নেমে ২০০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে। তবে আপাতত বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা নেই, তাই বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়নি।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
আবহাওয়া দফতর আরও জানিয়েছে, রাজ্যে এখনই ঝড় বা বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। ফলে কৃষি কাজ ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় বড় কোনও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা নেই। তবে সকাল ও রাতের দিকে ঠান্ডা লাগার সম্ভাবনা থাকায় স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
