নিউজ পোল ব্যুরো: সিকিমে ফের ভূমিকম্পের সঙ্গে কাঁপুনি যেন থামছেই না। ধারাবাহিক কম্পনের কারণে স্থানীয় মানুষরা আতঙ্কিত, আর উত্তরের লাগোয়া অঞ্চলও কম্পনের প্রভাব অনুভব করছে। আজ সকালে দার্জিলিংয়ে ২.৫ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। যদিও মাত্রা বেশি নয়, তবুও ভূবিজ্ঞানীরা এ ধরণের ঘনঘন কম্পন নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।
গতকাল সিকিমের মঙ্গনে ৩.৯ ও ৩.৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে। ভোর চারটের সময় এই কম্পনের ধাক্কা উত্তরবঙ্গেও অনুভূত হয়েছে। মাত্র একদিনেই সিকিমে ১৬ বার ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটে। ফেব্রুয়ারির শুরুতে চার দিনের মধ্যে ৪০টিরও বেশি কম্পনও ধরা পড়ে। বৃহৎ ভূমিকম্পের আগে ছোট ছোট কম্পনের ঘটনা সাধারণত ‘ফোরশক’ হিসেবে দেখা দেয়। এই কারণেই বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন, ঘনঘন কম্পন হয়তো বড় ভূমিকম্পের পূর্বাভাস হতে পারে। প্রকৃতির এই সতর্কবার্তা নস্যাৎ করা যায় না।
২০১১ সালে সিকিমে ৬.৯ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়েছিল, যার ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। সেই স্মৃতিই আজও স্থানীয়দের মনে সতর্কতার সঞ্চার করছে।
বর্তমানে ঘনঘন ভূমিকম্প ও উত্তরের রাজ্যগুলিতে কম্পনের কারণে আতঙ্কের পরিবেশ বিরাজ করছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, বড় ভূমিকম্পের সম্ভাবনা এড়ানো যায় না, তাই স্থানীয়রা সতর্ক থাকার পাশাপাশি জরুরি প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। সিকিম ও উত্তরবঙ্গের মানুষ এখন ভূমিকম্পের পূর্বাভাস ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সচেতন হয়ে উঠছেন।
