Assam commando camp terror attack:অসমে কমান্ডো ক্যাম্পে জঙ্গি হামলা, রকেট লঞ্চার ও গুলিবর্ষণে আহত ৪ জওয়ান!

দেশ

নিউজ পোল ব্যুরো:বিধানসভা নির্বাচনের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে ফের রক্তাক্ত হলো অসমের মাটি। শনিবার গভীর রাতে তিনসুকিয়া জেলার লেখাপানি থানার একটি কমান্ডো ক্যাম্পে অতর্কিত হামলা চালাল নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ‘ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অফ আসাম-ইন্ডিপেন্ডেন্ট’ বা উলফা (আই) (Assam commando camp terror attack)। রকেট লঞ্চার এবং অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে চালানো এই ভয়াবহ নাশকতায় অন্তত ৪ জন জওয়ান গুরুতর জখম হয়েছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমগ্র রাজ্যজুড়ে তীব্র আতঙ্ক ও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2026/03/22/modi-longest-serving-head-of-government-record-8931-days/

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত আনুমানিক ২টো ৩০ মিনিট নাগাদ যখন ক্যাম্পের জওয়ানরা বিশ্রামে ছিলেন, ঠিক তখনই অতর্কিত আক্রমণ শুরু করে জঙ্গিরা। ঘাতক বাহিনী প্রথমে রকেট লঞ্চার থেকে পরপর ৫টি আরপিজি (RPG) শেল নিক্ষেপ করে ক্যাম্প লক্ষ্য করে। বিস্ফোরণের রেশ কাটতে না কাটতেই শুরু হয় এলোপাথাড়ি গুলিবৃষ্টি। প্রায় ২০ মিনিট ধরে চলা এই তাণ্ডবে গোটা এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, হামলাকারীরা সংখ্যায় অন্তত ৭ জন ছিল এবং তারা রাতের অন্ধকারে প্রতিবেশী রাজ্য অরুণাচল প্রদেশের সীমান্ত পেরিয়ে অসমে অনুপ্রবেশ করেছিল।

ভয়াবহ এই হামলায় যে ৪ জন কমান্ডো জওয়ান আহত হয়েছেন, তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে ডিব্রুগড়ের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে জওয়ানরা বিপদসীমার বাইরে থাকলেও তাঁদের কড়া পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এদিকে, ঘটনার কিছু সময় পরেই উলফা (আই)-এর পক্ষ থেকে এই হামলার দায় স্বীকার করা হয়েছে। জঙ্গি সংগঠনটির (Assam commando camp terror attack) পক্ষ থেকে এই বিশেষ নাশকতামূলক অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন বুজুনি’। উল্লেখ্য, গত বছরের অক্টোবর মাসেও তিনসুকিয়ার কাকোপাথার সেনা ক্যাম্পে একই কায়দায় হামলা চালিয়েছিল এই গোষ্ঠীটি।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

আগামী ৯ এপ্রিল অসমে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে এই ধরনের বড়সড় জঙ্গি হামলায় স্বভাবতই নড়েচড়ে বসেছে রাজ্য প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী। গোয়েন্দাদের মতে, নির্বাচনের আগে জনমানসে আতঙ্ক সৃষ্টি করতেই পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। বর্তমানে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে সেনা ও পুলিশের যৌথ চিরুনি তল্লাশি শুরু হয়েছে। জঙ্গিদের খোঁজে ড্রোন এবং স্নিফার ডগের সাহায্যে তল্লাশি চালাচ্ছে উচ্চপর্যায়ের তদন্তকারী দল।