Ahmedabad Plane Crash: নিশ্ছিদ্র তদন্ত, কোনও দুর্নীতির প্রশ্নই নেই! আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা নিয়ে বিতর্ক উড়িয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

দেশ

নিউজ পোল ব্যুরো: আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা (Ahmedabad Plane Crash) নিয়ে তদন্তের স্বচ্ছতা নিয়ে যেভাবে প্রশ্ন উঠছে, তা খারিজ করলেন কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী কে রামমোহন নায়ডু (Rammohan Naidu)। স্পষ্ট ভাষায় তিনি জানিয়ে দিলেন, তদন্তপ্রক্রিয়ায় কোনও রকম দুর্নীতির জায়গা নেই এবং পুরো বিষয়টি অত্যন্ত স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ ভাবেই এগোচ্ছে। পাইলটদের সর্বভারতীয় সংগঠন ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান পাইলটসের তরফে তদন্ত নিয়ে যেভাবে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে ও বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবি তোলা হয়েছে, তার পাল্টা জবাব দিলেন মন্ত্রী।

আরও পড়ুন: Probashe Durga Puja: শক্তি, স্মৃতি আর সুরের সংযোগে আটলান্টায় ‘ফসিলস’-ঝড়! পূর্বাশার পুজোয় রক-বিস্ফোরণ

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নায়ডু বলেন, “যে কোনও বিমান দুর্ঘটনার (Ahmedabad Plane Crash) তদন্ত করে এয়ারক্র্যাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (AAIB)। তাদের কাজকর্ম নিরপেক্ষ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ। কোনও পক্ষ বা ব্যক্তি তাদের প্রভাবিত করতে পারে না। আহমেদাবাদ দুর্ঘটনার ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। প্রাথমিক রিপোর্টে যা উঠে এসেছে, তা তথ্য-ভিত্তিক ও স্বাধীন।”

তিনি আরও বলেন, “এখনও পর্যন্ত শুধুমাত্র প্রাথমিক রিপোর্টই প্রকাশিত হয়েছে। চূড়ান্ত রিপোর্ট আসা বাকি। তাই তৎপর হয়ে কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো ঠিক নয়। সকলকে ধৈর্য ধরতে হবে ও সংযত থাকতে হবে।”

প্রসঙ্গত, গত ১২ জুন আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বোয়িং ৭৮৭-৮ উড়ান যাত্রার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই দুর্ঘটনার (Ahemdabad Plane Crash) কবলে পড়ে। একটি মেডিক্যাল কলেজের উপর ভেঙে পড়া ওই বিমান দুর্ঘটনায় ২০০-র বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। এএআইবি-র প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্টে দাবি করা হয়, বিমানটি টেকঅফের সময় আচমকাই দু’টি ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায় — ‘কাটঅফ’ মোডে চলে যায় জ্বালানি। এই নিয়েই পাইলটদের কথোপকথন নিয়েও উঠে এসেছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। তবে পাইলটদের সংগঠনের অভিযোগ, তদন্তে পাইলটদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে দায়ী করা হচ্ছে, এবং ইঞ্জিন সংক্রান্ত যান্ত্রিক ত্রুটি বা জ্বালানি সুইচের সমস্যার বিষয়গুলো রিপোর্টে চেপে যাওয়া হয়েছে। তাই নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে বিচারবিভাগীয় হস্তক্ষেপ চায় তারা।

এই অবস্থায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর স্পষ্ট বার্তা, রাজনৈতিক চাপ কিংবা বাহ্যিক প্রভাবের ঊর্ধ্বে রেখেই তদন্ত চলছে, এবং সত্যিই যদি কোনও গাফিলতি বা প্রযুক্তিগত ত্রুটি থাকে, চূড়ান্ত রিপোর্টে তা উঠে আসবে। দায়িত্ব এড়ানোর জায়গা কারও নেই, তবে ততক্ষণ পর্যন্ত অহেতুক বিতর্কে না জড়িয়ে অপেক্ষা করাই সঠিক পথ।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole