Abhishek Banerjee : মোদী-শাহ নন! নির্বাচন কমিশনই বিজেপির আসল ‘ট্রাম্প কার্ড’, বললেন অভিষেক

কলকাতা রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: ভোটের মুখে বাংলার রাজনৈতিক আবহ ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে (WB Election 2026) । বিশেষ করে এসআইআর (SIR) ঘিরে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগের ঝড় তুলেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) । তাদের দাবি, কমিশন নিরপেক্ষভাবে কাজ না করে বিজেপির (BJP) স্বার্থেই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। এই প্রসঙ্গেই বৃহস্পতিবার সামাজিক মাধ্যমে সরব হলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।নিজের X- হ্যান্ডেলে অভিষেক (Abhishek Banerjee) সরাসরি বিজেপি (BJP) ও নির্বাচন কমিশনকে নিশানা (Election Commission) করে একাধিক মন্তব্য করেন। তিনি (Abhishek Banerjee) দাবি করেন, ‘অনেকেই মনে করেন বিজেপির মূল শক্তি হল নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ বা যোগী আদিত্যনাথের মতো নেতারা। কিন্তু বাস্তবে বিজেপির সবচেয়ে বড় ‘ট্রাম্প কার্ড’ হল নির্বাচন কমিশন, যারা আড়াল থেকে গেরুয়া শিবিরকে সাহায্য করছে’।

আরও পড়ুন: Abdur Razzak Mondal : ভোটের আগে তৃণমূল ছাড়লেন আব্দুর রাজ্জাক, ‘অস্বচ্ছতার’ অভিযোগে নেতৃত্বকে তোপ

অভিষেকের (Abhishek Banerjee) অভিযোগ, বিজেপির নির্দেশ মেনে কমিশন একের পর এক পদক্ষেপ নিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, যেসব কেন্দ্রীয় বাহিনী দেশের অন্যান্য সংবেদনশীল এলাকায় মোতায়েন করা যেতে পারত, সেই বাহিনীর উল্লেখযোগ্য অংশ বাংলায় এনে রাখা হয়েছে। তার মতে, এর পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য স্পষ্ট। এছাড়াও তৃণমূল নেতা দাবি করেন, বাইরে থেকে আসা কিছু প্রশাসনিক আধিকারিক ও বাহিনীর সদস্যরা বাংলার রাজনৈতিক পরিবেশকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। এমনকি দলীয় কর্মীদের ভয় দেখানোর অভিযোগও তোলেন তিনি। তবে এই পরিস্থিতিতে দলের কর্মীদের মনোবল না হারানোর বার্তাও দেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole

তার কথায়, এই বাহিনী এবং বাইরের আধিকারিকরা বাংলায় সাময়িকভাবে রয়েছেন, কিন্তু ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর তাদের উপস্থিতি আর থাকবে না। এই প্রসঙ্গে তিনি কড়া ভাষায় বলেন, এটা কোনও হুমকি নয়, বরং চ্যালেঞ্জ। পুরো বিষয়টি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। বিরোধী দল বিজেপি অবশ্য এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তাদের দাবি, নির্বাচন কমিশন সংবিধান মেনেই কাজ করছে এবং তৃণমূল ভোটের আগে অযথা বিতর্ক তৈরি করতে চাইছে।