নিউজ পোল ব্যুরো: আসানসোলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। কংগ্রেস কর্মী দেবদীপ চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুকে ঘিরে শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। রবিবার সামাজিক মাধ্যমে এই প্রসঙ্গে তিনি (Rahul Gandhi) তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে দাবি করেন, বাংলায় ‘গুন্ডারাজ’ চলছে এবং হিংসা যেন শাসকদলের রাজনৈতিক চরিত্রে পরিণত হয়েছে। রাহুল (Rahul Gandhi) তার পোস্টে লেখেন, দেবদীপের হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তি দেওয়া জরুরি। পাশাপাশি মৃতের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যথাযথ আর্থিক ক্ষতিপূরণের দাবিও তোলেন তিনি। তার বক্তব্য, কংগ্রেস কখনও হিংসার রাজনীতি সমর্থন করে না এবং দল সবসময় সংবিধান ও অহিংসার পথেই বিশ্বাসী।
আরও পড়ুন: Weather Update : ঝড়-বৃষ্টিতে স্বস্তির ইঙ্গিত! কালবৈশাখীর দাপটে কমবে গরম, জেলায় জেলায় কমলা সতর্কতা
অন্যদিকে, কংগ্রেসের অভিযোগ, ভোট-পরবর্তী হিংসার জেরেই এই খুন। তাদের দাবি, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই দেবদীপকে নিশানা করে নির্মমভাবে মারধর করে হত্যা করেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে বাড়ি ফেরার সময় তার গাড়ি ঘিরে ধরে হামলা চালানো হয়, যার জেরেই তার মৃত্যু। তবে এই দাবিকে পুরোপুরি খারিজ করেছে পুলিশ প্রশাসন। তদন্তকারীদের মতে, এই ঘটনা রাজনৈতিক নয়, বরং ব্যক্তিগত বচসা থেকেই পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নেয়। ইতিমধ্যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া রিপোর্টেও একই কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই রাতে ভগৎ সিং মোড় এলাকায় গাড়ি পার্কিং নিয়ে দেবদীপের সঙ্গে কয়েকজন যুবকের বচসা হয়। সেখান থেকেই হাতাহাতি শুরু হয়। পরে পাঁচপুলিয়া এলাকায় আরও এক ব্যক্তির সঙ্গে তার সংঘর্ষ হয় এবং পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, অভিযুক্তরা তাকে অনুসরণ করে তার আবাসনের সামনে গিয়ে মারধর করে। পরিবারের দাবি, সেই সময় দেবদীপ অচৈতন্য হয়ে পড়েন। প্রথমে তাকে মদের নেশায় অচেতন ভেবে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু পরদিন দুপুর পর্যন্ত জ্ঞান না ফেরায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুরো ঘটনাকে ঘিরে এখনো উত্তেজনা বজায় রয়েছে এবং রাজনৈতিক চাপানউতোর অব্যাহত।
