CEO Manoj Agarwal Statement:‘ভোটদানে বাধা বরদাস্ত নয়’, কাকদ্বীপে কড়া বার্তা সিইও মনোজ আগরওয়ালের!

রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো:রাজ্যে আসন্ন দ্বিতীয় তথা অন্তিম দফার বিধানসভা নির্বাচনকে সম্পূর্ণ অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। সেই প্রেক্ষিতে রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপে প্রশাসনিক তৎপরতার চূড়ান্ত চিত্র ধরা পড়ে। এদিন কাকদ্বীপ মহকুমাশাসকের কার্যালয়ে এক উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল (CEO Manoj Agarwal Statement)। বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক, সুন্দরবন পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক ও নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা অংশ নেন। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও তাঁদের নির্বাচনী এজেন্টদের সঙ্গেও পৃথক আলোচনা করেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক।

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2026/04/26/kejriwal-kolkata-rally-modi-resignation-question-bengal-election-2026/

সূত্রের খবর, ভোট প্রক্রিয়ায় কোনওরকম অশান্তি, অনিয়ম বা ভোটারদের প্রভাবিত করার প্রচেষ্টা রুখতে কমিশনের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কার্যকরভাবে প্রয়োগের উপরই বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় এই বৈঠকে।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মনোজকুমার আগরওয়াল (CEO Manoj Agarwal Statement) স্পষ্ট জানান, “এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোটের উপর সন্তোষজনক। সবাইকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভোটদানে কোনওরকম বাধা বা অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না।”

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:https://youtube.com/@thenewspole

তিনি আরও জানান, ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রশাসন বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে এবং এবারের দফায় উচ্চ ভোটদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নির্বাচনী নিরাপত্তা জোরদার করতে একাধিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিটি বুথে সিসিটিভি ক্যামেরা ও লাইভ মনিটরিং সিস্টেম বসানো হয়েছে, যার মাধ্যমে প্রয়োজনে আগের ১০ মিনিটের ফুটেজও পর্যবেক্ষণ করা যাবে। পাশাপাশি বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে বৈধ পরিচয়পত্র ছাড়া প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই বিধি কার্যকর করতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে।

এছাড়াও বাইকবাহিত দাপট, প্রভাব বিস্তার বা ভোটারদের হুমকি দেওয়ার যেকোনও চেষ্টা রুখতে বিশেষ নজরদারি চালানো হবে বলে কমিশন জানিয়েছে।

একই দিনে পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও পরিদর্শনে গিয়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জানান, প্রথম দফার তুলনায় দ্বিতীয় দফায় আরও বেশি ভোটদানের সম্ভাবনা রয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ভোট নিয়ে উৎসাহও যথেষ্ট।

অন্যদিকে কলকাতার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত কমিশনের সমন্বয় বৈঠকে জানানো হয়, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় অতিরিক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় অলিগলি পর্যায়ে টহলদারি জোরদার করা হবে। প্রায় ১৬০টি মোটরবাইকে দুইজন সশস্ত্র জওয়ান করে নিয়মিত টহল দেবে নিরাপত্তা বাহিনী।

 

কমিশনের তরফে আরও জানানো হয়েছে, প্রথম দফার সিসিটিভি নজরদারির পরিধি এবার বাড়িয়ে বুথে যাতায়াতের রাস্তাগুলিতেও ক্যামেরা বসানো হচ্ছে।

 

সব মিলিয়ে, দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোটের আগে কাকদ্বীপ ও পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলিতে প্রশাসনিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা যে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে, তা স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে।