নিউজপোল ব্যুরোঃ রবিবার গভীর রাতে যাদবপুর রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় হকার উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বেআইনি দোকান ও গুমটি সরানোর উদ্দেশ্যে প্রশাসনের অভিযান শুরু হতেই প্রতিবাদে সামিল হন বামপন্থী দলের সংগ্রামী সৃজনসহ একাধিক বামপন্থী ও কংগ্রেস সমর্থক নেতা-কর্মী, স্থানীয় বাসিন্দা এবং কিছু ছাত্রছাত্রী। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠে এবং পরে সংঘর্ষের অভিযোগ সামনে আসে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যা থেকেই যাদবপুরের ২১২ বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় বহু মানুষ জড়ো হয়ে উচ্ছেদ অভিযানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছিলেন। তাঁদের দাবি, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জীবিকা রক্ষার স্বার্থে তাদের অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রতিবাদকারীদের একাংশ সামাজিক বার্তা সম্বলিত পোস্টার হাতে নিয়ে বিক্ষোভে অংশ নেন। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় অনুগত করা হয় পুলিশসহ, রেল সুরক্ষা বাহিনী এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যদের। বুলদোযার ঘটনাস্থলে পৌঁছালে প্রতিবাদকারীদের একাংশ তার সামনে অবস্থান গ্রহণ করে।
প্রতিবাদকারীদের একাংশের অভিযোগ, তাঁদের উপর লাঠিচার্জ করা হয়েছে। এতে কয়েকজন সাধারণ মানুষসহ অনেক বামপন্থী কর্মী আহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে ছাত্র সংগঠনের নেতা সৃজন ভট্টাচার্য এবং নাট্যকর্মী জয়রাজ ভট্টাচার্য-সহ একাধিক ব্যক্তি রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। কয়েকজনকে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানো হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। অন্যদিকে গ্রেপ্তারদের মুক্তির দাবিতে সোমবার ভোর থেকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ নম্বর গেটের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেছে ছাত্র সংগঠন SFজার ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা থাকলেও পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে এবং ঘটনাটি কোন দিকে মোড় নেয় সেদিকেই এখন সবার নজর।
