Suvendu Adhikari:অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে কঠোর অবস্থানের বার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর!

রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো:রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর থেকে প্রায় ৪,৮০০ জন অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে তাঁদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পাশাপাশি তিনি জানান, বর্তমানে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় স্থাপিত হোল্ডিং সেন্টারগুলিতে ৮৩৬ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক রাখা হয়েছে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তাঁদেরও পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশে প্রত্যাবাসন করা হবে।

আরও পড়ুন:Aditi Munshi- Debraj Chakraborty:অদিতি-দেবরাজের আর্থিক লেনদেনের সূত্রে বিহার থেকে গ্রেফতার এক ব্যক্তি, তদন্তে নতুন মাত্রা!

রবিবার নিউ টাউনে আয়োজিত বিজেপি কর্মীদের এক প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশ নিয়ে রাজ্য সরকারের গত এক মাসের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের খতিয়ান তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই প্রসঙ্গেই সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করা এবং বেআইনি অনুপ্রবেশ রোধে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলির বিস্তারিত উল্লেখ করেন তিনি।

শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) বক্তব্য, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সীমান্ত সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিতকরণ, আটক এবং দ্রুত প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে প্রশাসনিক তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজে গতি আনতে প্রয়োজনীয় জমি দ্রুত সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর হাতে তুলে দেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

এছাড়া নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) কার্যকর করার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের অনুপ্রবেশ-সংক্রান্ত সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধানের পথ প্রশস্ত হবে বলেও দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:https://youtube.com/@thenewspole

দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “অতীতে বেআইনি অনুপ্রবেশকারীরা ধরা পড়লে দীর্ঘ সময় সংশোধনাগারে অবস্থান করত এবং তাঁদের রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয় বহন করত সরকার। বর্তমানে কেন্দ্রের প্রচলিত আইন ও প্রশাসনিক বিধি অনুসরণ করে দ্রুত পরিচয় যাচাই ও প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ৪,৮০০ জনকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। হোল্ডিং সেন্টারগুলিতে থাকা আরও ৮৩৬ জনকেও শীঘ্রই প্রত্যাবাসিত করা হবে। ভবিষ্যতেও এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।”

এদিন দলীয় সংগঠনকে আরও সক্রিয় ও জনমুখী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী। বিশেষত যেসব বিধানসভা কেন্দ্রে বিরোধী দলের প্রতিনিধিরা নির্বাচিত রয়েছেন, সেখানে সরকারি প্রকল্প ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণে বিজেপি কর্মীদের ‘সরকারের চোখ ও কান’ হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।