নিউজপোল ব্যুরো: বাংলার গরীব মানুষের মাথার ওপর পাকা ছাদ আর গ্রামীণ পরিকাঠামোয় এক ঐতিহাসিক ও অভাবনীয় মেগা জোয়ার আসতে চলেছে! আজ মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ (14/07/2026) নবান্নে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের সাথে এক অত্যন্ত হাই-ভোল্টেজ ও দীর্ঘ বৈঠকের পর রাজ্যবাসীর জন্য একগুচ্ছ বাম্পার খুশির খবর শোনালেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
দিল্লির সাথে নবান্নের এই মেগা ডুয়েট বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে একের পর এক কেন্দ্রীয় অনুদান আর জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের ডালি খুলে দিলেন, তা শুনে রাজনৈতিক মহলে রীতিমতো তীব্র শোরগোল ও চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। বৈঠক শেষে নবান্নের প্রেস কর্নারে দাঁড়িয়ে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এক মহা-বিস্ফোরক ও খুশির খবর দিয়ে স্পষ্ট জানান, “কেন্দ্রীয় মন্ত্রীজির সঙ্গে রাজ্যের একাধিক কল্যাণকর যোজনা নিয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। সবচেয়ে বড় ধামাকা হলো, আবাস যোজনার চূড়ান্ত তালিকা সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই খোদ কেন্দ্র সরকার বাংলার জন্য অগ্রিম ১ লক্ষ নতুন বাড়ির অনুমোদন দিয়ে দিয়েছে!” মুখ্যমন্ত্রীর এই এক জোড়া বড় ঘোষণায় গ্রামীণ বাংলার গরিব মানুষের মুখে চওড়া হাসি ফুটেছে। এখানেই শেষ নয়, মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান যে, বাংলার প্রত্যন্ত গ্রামের রাস্তাঘাট চকমকে করে তুলতে ‘গ্রাম সড়ক যোজনা’ প্রজেক্টে সরাসরি ১ হাজার কোটি টাকার বিশাল ফান্ড রিলিজ করেছে মোদি সরকার।নবান্নের এই রাজকীয় বৈঠক থেকে কর্মসংস্থান ও গ্রামীণ উন্নয়নের ক্ষেত্রেও এক বিরাট মাস্টারস্ট্রোক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেন, রাজ্যের ১২৫ দিনের নিশ্চিত কর্মসংস্থান প্রকল্পে প্রথম দফায় সরাসরি ২ লক্ষ গ্রামীণ মানুষকে কাজ দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি বাংলার প্রান্তিক জেলা অর্থাৎ দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার, ঝাড়গ্রাম এবং পুরুলিয়ায় কৃষকদের ভাগ্যবদল করতে চালু হতে চলেছে কেন্দ্রের বিশেষ ‘ধনধান্য প্রকল্প’। আসলে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই শুভেন্দু অধিকারীর প্রধান লক্ষ্যই হলো সাধারণ মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলোর সমাধান করা। রাজনৈতিক মহলের মতে, ‘পেটে ভাত, মাথায় ছাদ আর হাতে কাজ’—এই ত্রিমুখী ফর্মুলা দিয়ে তিনি সরাসরি বাংলার গরিব ও মধ্যবিত্ত মানুষের মনের মণিকোঠায় জায়গা করে নিচ্ছেন। তাঁর এই ঝোড়ো ব্যাটিং একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটাচ্ছে, অন্যদিকে তেমনই বিরোধীদের জমি এক ধাক্কায় অনেকটাই আলগা করে দিচ্ছে। রাজ্যবাসীর পাশে দাঁড়িয়ে শুভেন্দুর এই একের পর এক জনমুখী মাস্টারস্ট্রোক আগামী দিনে বাংলার রাজনীতিতে এক নতুন ইতিহাস লিখতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য।
