তদন্তকারীদের কাছে মণ্ডপের প্রবেশপথ ও বেরনোর রাস্তার মাপও গুরুত্বপূর্ণ বলে জানা যাচ্ছে। ভিড়ের মধ্যে কীভাবে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা বুঝতে এই তথ্য কাজে লাগতে পারে। তবে শিল্পীকে ঠিক কী কী প্রশ্ন করা হবে, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত জানা যায়নি। এখানেই শেষ নয়। চোরবাগানের ঘটনার তিন জন প্রত্যক্ষদর্শীকেও তলব করেছে লালবাজার। তাঁদের বক্তব্য থেকে দুর্ঘটনার সময়কার পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা কী দেখেছিলেন এবং ঘটনার আগে-পরে কী হয়েছিল, তা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠতে পারে।
অন্যদিকে, সিসিটিভি ফুটেজ নিয়েও তৈরি হয়েছে নতুন প্রশ্ন। মণ্ডপ ও তার আশপাশের রাস্তায় মোট ৩২টি ক্যামেরা ছিল বলে সূত্রের খবর। কিন্তু এখনও পর্যন্ত ১৬টি ক্যামেরার ফুটেজ পাওয়া যায়নি বলে জানা যাচ্ছে। কেন ওই ফুটেজগুলি এখনও হাতে আসেনি, তা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য সামনে আসেনি। তদন্তকারীরা ইতিমধ্যে পাওয়া ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন, যাতে দুর্ঘটনার সময়কার গতিবিধি বোঝা যায়। এখন নজর, তদন্তে পরবর্তী পদক্ষেপে কী তথ্য সামনে আসে।
