Lovely Maitra education controversy:তৃণমূল বিধায়ক লাভলি মৈত্রর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে ‘অসঙ্গতি’র অভিযোগ,পাল্টা আক্রমণে ‘হাফপ্যান্ট মন্ত্রী’ তকমা সুকান্তকে!

রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো:তৃণমূল বিধায়ক লাভলি (অরুন্ধতী) মৈত্রর শিক্ষাগত যোগ্যতা ঘিরে চাঞ্চল্যকর (Lovely Maitra education controversy) অভিযোগ তুললেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।রবিবার এক্স হ্যান্ডলে (প্রাক্তন টুইটার) একাধিক সরকারি ও প্রচারমূলক নথির উদাহরণ দিয়ে তিনি দাবি করেন,-লাভলির শিক্ষাগত তথ্য ‘বিস্ময়করভাবে অসঙ্গতিপূর্ণ’।তাঁর বক্তব্যে একাধিক উৎসে তিনটি ভিন্ন কলেজের নাম উঠে আসে,যদিও শিক্ষাগত ডিগ্রির তথ্য অপরিবর্তিত।সুকান্তর অভিযোগ অনুযায়ী,-“সরকারি রেকর্ড বলছে লাভলি মৈত্র ২০২০ সালে নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পাশ করেছেন।অথচ তাঁর নির্বাচনী প্রচার পুস্তিকায় দাবি করা হয়েছে,তিনি সেন্ট পল্‌স কলেজ থেকে ইতিহাসে স্নাতক।অন্যদিকে,বিধানসভার পরিচিতি পুস্তিকায় লেখা রয়েছে গোয়েন্‌কা কলেজ—যেখানে ইতিহাস বিভাগই নেই।এমনকি বিধানসভার অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে তাঁর শিক্ষাগত তথ্য ফাঁকা।”

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2025/07/13/gadkari-for-pm-congress-mla-rss-retirement-comment/

শুধু অভিযোগ করেই থামেননি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।এই ‘অসঙ্গতি’র সূত্র ধরে সুকান্ত রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির (Lovely Maitra education controversy) প্রসঙ্গও টানেন।তাঁর অভিযোগ,-“এ থেকেই বোঝা যায়,তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকলে শিক্ষার মান কীভাবে তলানিতে পৌঁছতে পারে!শিক্ষা ক্ষেত্রে দুর্নীতির প্রশ্নে ওদের কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী নেই।”এই অভিযোগের জবাবে রবিবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূল বিধায়ক লাভলি মৈত্র প্রথমেই কটাক্ষের সুরে বলেন,-“কেন্দ্রের এক জন হাফপ্যান্ট মন্ত্রী নাকি আমার সম্পর্কে কিছু পোস্ট করেছেন।”এরপর নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে লাভলি বলেন,-“আমি নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই স্নাতক ডিগ্রি সম্পূর্ণ করেছি।মনোনয়নপত্রেও সেটাই উল্লেখ আছে।কোথাও যদি অন্য তথ্য বা ছাপার ভুল থেকে থাকে,সেটার দায় আমার নয়।”

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

তবে লাভলির নিজের দলের প্রচারপুস্তিকায় লেখা ‘সেন্ট পল্‌স কলেজ’ প্রসঙ্গে তিনি জানান,-“আমি সত্যিই সেন্ট পল্‌স কলেজে ভর্তি হয়েছিলাম।কিন্তু অভিনয়ের কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে কলেজ ছাড়তে বাধ্য হই।”আর বিধানসভার পরিচিতি পুস্তিকায় ‘গোয়েন্‌কা কলেজ’-এর উল্লেখ প্রসঙ্গে লাভলির বক্তব্য,-“আমি কোনও দিন গোয়েন্‌কা কলেজে পড়িনি।কীভাবে ওখানে সেই নাম এল,জানি না।হয়তো ছাপার ভুল।আমি দায় নিচ্ছি না।”রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে চর্চা।কারচুপি,ছাপার ভুল,না কি তথ্য লুকোনোর চেষ্টা—এ প্রশ্ন এখন উঠছে বিভিন্ন মহলে।তবে গোটা বিষয়টির মধ্যে শিক্ষা নিয়ে রাজ্যের শাসকদলের ভাবমূর্তি আবারও প্রশ্নের মুখে এসেছে বলেই মত পর্যবেক্ষকদের।