নিউজ পোল ব্যুরো: ওয়াশিংটনে (Washington) হঠাৎ করেই শুরু হয়েছে কূটনৈতিক উত্তেজনার এক নতুন অধ্যায়! যেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের (Shehbaz Sharif) সম্ভাব্য বৈঠক (Trump-Sharif Meeting) ঘিরে চলছে জোর জল্পনা-কল্পনা। আর এই গুঞ্জনের আঁচ লাগিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুসের এক স্বল্পস্বচ্ছ বক্তব্য।
সম্প্রতি এক সাংবাদিক কাশ্মীর ইস্যুতে (Kashmir Issue) ট্রাম্পের মধ্যস্থতার প্রস্তাব নিয়ে প্রশ্ন করলে, তার জবাবে ব্রুস জানান যে পাকিস্তানি এক প্রতিনিধিদল শিগগিরই ওয়াশিংটন সফরে আসবে। হেসে তিনি বলেন, “আমাদের পাকিস্তান (Pakistan) থেকে একটি প্রতিনিধি দল আসছে, আমি নিজেও তাদের সঙ্গে আলোচনার অপেক্ষায় রয়েছি।” তার এই মন্তব্য অনেকের মতে, ইঙ্গিত দিচ্ছে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের দিকে, যা সরাসরি ট্রাম্প-শরীফ বৈঠকের (Trump-Sharif Meeting) সম্ভাবনা উসকে দিয়েছে।
অথচ এই মুহূর্তে হোয়াইট হাউস কিংবা ইসলামাবাদ কোনও পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে এই বৈঠকের সত্যতা নিশ্চিত করেনি। হোয়াইট হাউসের (White House) একজন মুখপাত্র সাফ জানিয়েছেন, “এই মুহূর্তে ট্রাম্পের পাকিস্তান সফরের কোনও পরিকল্পনা নেই।” একই সুরে ইসলামাবাদের (Islamabaad) মার্কিন দূতাবাস এবং পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দফতরও জানিয়েছে, তাদের কাছে এই ধরনের কোনও তথ্য নেই।
অবশ্য এর আগে পাকিস্তানের দুটি বড় সংবাদমাধ্যম দাবি করেছিল যে, ট্রাম্প সেপ্টেম্বরে পাকিস্তান (Pakistan) সফরে যাচ্ছেন। কিন্তু পরে তারা সেই প্রতিবেদন প্রত্যাহার করে নিয়েছে এবং ভুল তথ্য প্রচারের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, গত মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যখন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরকে হোয়াইট হাউসে স্বাগত জানান, সেটিই ছিল মার্কিন-পাকিস্তান সম্পর্কের নতুন উষ্ণতার সূচনা। সেই ঘটনার ধারাবাহিকতায় শরীফ-ট্রাম্প বৈঠক (Trump-Sharif Meeting) আদৌ বাস্তবায়িত হয় কি না, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে জর্জ ডব্লিউ বুশ ছিলেন সর্বশেষ মার্কিন প্রেসিডেন্ট যিনি ইসলামাবাদ সফর করেন। দুই দশক পেরিয়ে এবার যদি ট্রাম্প সত্যিই পাকিস্তানের পথে রওনা দেন, তবে সেটি হবে ঐতিহাসিক ও কূটনৈতিক দিক থেকে এক বড় মোড়।
