নিউজ পোল ব্যুরো: চিনের সঙ্গে দৃঢ় সম্পর্ক “অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ” এবং এটি “আঞ্চলিক শান্তি ও সমৃদ্ধির উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে” এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনবে। শুক্রবার বিকেলে জাপান থেকে এমনটাই বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দিল্লি ও টোকিওর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করতে নমো দুই দিনের জন্য জাপান সফরে রয়েছেন। সেখান থেকেই চিন সম্পর্কে বড় বার্তা দিয়েছেন মোদী।
টোকিওতে সাংবাদিকদের মোদী বলেন, “চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে, আমি এখান থেকে তিয়ানজিনে SCO শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে যাব। গত বছর কাজানে (রাশিয়ায়, আগের SCO সম্মেলনের সময়) রাষ্ট্রপতি শি’র সঙ্গে আমার সাক্ষাতের পর থেকে, আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে স্থিতিশীল এবং ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।” এর পরেই তিনি আরও বলেন, “পৃথিবীর দুটি বৃহত্তম দেশ ভারত এবং চিনের মধ্যে স্থিতিশীল, অনুমানযোগ্য এবং বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আঞ্চলিক এবং বিশ্বব্যাপী শান্তি ও সমৃদ্ধির উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।” জাপানের সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নমো বলেছেন, “বিশ্ব অর্থনীতির বর্তমান অস্থিরতার পরিপ্রেক্ষিতে, বিশ্ব অর্থনৈতিক শৃঙ্খলায় স্থিতিশীলতা আনতে ভারত ও চিনের একসঙ্গে কাজ করাও গুরুত্বপূর্ণ।”
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
প্রধানমন্ত্রী মোদীর আরও সংযোজন, “ভারত পারস্পরিক শ্রদ্ধা, পারস্পরিক স্বার্থ এবং পারস্পরিক সংবেদনশীলতার ভিত্তিতে কৌশলগত এবং দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিকোণ থেকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে প্রস্তুত, এবং আমাদের উন্নয়নমূলক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কৌশলগত যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে প্রস্তুত।” এদিন মোদী চিনের সঙ্গে সাম্প্রতিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির কথা তুলে ধরেন এবং আঞ্চলিক এবং বিশ্ব শান্তির জন্য এর গুরুত্বের উপর জোর দেন। তিনি উল্লেখ করেন যে এই সম্পর্কগুলি কেবল দুই দেশের জন্যই নয়, বরং বৃহত্তর এশীয় অঞ্চলের জন্যও তাৎপর্যপূর্ণ। মোদীর কথায়, “দুটি প্রতিবেশী এবং পৃথিবীর দুটি বৃহত্তম দেশ হিসেবে ভারত ও চিনের মধ্যে স্থিতিশীল, পূর্বাভাসযোগ্য এবং বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি ও সমৃদ্ধির উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এটি একটি বহু-মেরু এশিয়া এবং একটি বহু-মেরু বিশ্বের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
