নিউজ পোল ব্যুরো : গত কয়েক দিন ধরে (Weather Update) বাংলার বিভিন্ন জেলায় ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল সাধারণ মানুষ। সকাল থেকে সূর্যের তেজে ঘাম ঝরছে, আর দুপুর গড়াতেই (Heatwave Condition) আরও অস্বস্তি বাড়ছে। বিশেষত কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ ও পশ্চিম বর্ধমানে দিনের বেলা রাস্তায় নামা দায় হয়ে উঠেছে। অফিসযাত্রী থেকে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ সকলের জীবনযাত্রাই থমকে যাচ্ছে এই অস্বস্তিকর গরমে।
আরও পড়ুন: Reels Addiction : রিলসের নেশা থেকে বাঁচান সন্তানকে: স্ক্রিন টাইম কমানোর সহজ উপায়
আবহাওয়া দফতর (IMD Forecast) জানিয়েছে, রাজ্যের উপর দিয়ে এখনও দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বাতাস (Southwest Monsoon) সক্রিয় থাকলেও, বৃষ্টিপাত কম হয়েছে। এর ফলে বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রা অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। এই আর্দ্রতাই তৈরি করছে ভ্যাপসা গরম, যাকে স্থানীয়ভাবে “হিট হিউমিডিটি” (Heat Humidity) বলা হয়। বিশেষত কলকাতা ও তার আশেপাশের জেলাগুলিতে সকালের দিকে কিছুটা শীতলতা থাকলেও দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত ঘাম ঝরানো গরমই প্রধান সমস্যা হয়ে উঠেছে।
তবে আশার খবর, আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী কয়েক দিনের মধ্যে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে (North Bengal Rainfall) মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার ও কালিম্পংয়ে বর্ষার দাপট ফের দেখা দিতে পারে। দক্ষিণবঙ্গে (South Bengal Weather) বিচ্ছিন্নভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা বৃষ্টি হতে পারে, বিশেষত হাওড়া, হুগলি ও দুই ২৪ পরগনায়। তবে এ বৃষ্টি ভ্যাপসা গরম থেকে পুরোপুরি মুক্তি দিতে পারবে না বলে জানাচ্ছেন আবহবিদরা।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
এই অস্বস্তিকর গরমে (Hot and Humid Weather) স্বাস্থ্য সমস্যা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরামর্শ দিচ্ছেন দিনে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খাওয়ার, বাইরে বের হলে হালকা সুতির পোশাক পরার এবং রোদ এড়াতে ছাতা বা টুপি ব্যবহার করার। এছাড়া বয়স্ক ও শিশুদের যত্ন নিতে বিশেষ সতর্ক থাকার কথাও জানানো হয়েছে।
সার্বিকভাবে, ভ্যাপসা গরমে এখনই বড়সড় স্বস্তির আশা নেই দক্ষিণবঙ্গের মানুষজনের। তবে উত্তরবঙ্গের মানুষ হয়তো শিগগিরই বৃষ্টির দয়ায় খানিকটা আরাম পাবেন। আবহাওয়া দফতরের (Weather Forecast) রিপোর্ট বলছে, সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে দক্ষিণবঙ্গেও বৃষ্টি ফের জোরদার হতে পারে। তাই আপাতত আকাশের দিকে তাকিয়েই থাকতে হচ্ছে গরমে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষকে।
