Kali Puja 2025: ঝলমলে আলো, উড়ছে দাম! কোন বাজি এখন বাজারে রাজা

কলকাতা

নিউজ পোল ব্যুরো: বাজির মরসুম ফের এসেছে, কিন্তু সময়ের সঙ্গে বদলে গিয়েছে সেই চেনা ঝলক। এককালে দো-দমা বা চকলেট বোমের (Chocolate Bomb) গর্জনে মুখরিত হত পাড়ার আকাশ, আজ তা অতীত। পরিবেশ দূষণ (Pollution) রুখতে এবং সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে (Green Crackers) শামিল হয়ে এখন কেবলমাত্র পরিবেশবান্ধব বাজির (Eco-friendly Firecrackers) অনুমতি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট ও পরিবেশ আদালত। সেই নিয়ম মেনে টালা পার্ক, বেহালা, কালিকাপুর ও শহিদ মিনারের (Firecracker Market Kolkata) বাজি বাজারে চলছে বেচাকেনা— নতুন ঢঙে, নতুন সাজে।

আরও পড়ুন:Higher Secondary Exam: অক্টোবরেই উচ্চ মাধ্যমিকের মেধা তালিকার ঝলক, জানিয়ে দিল শিক্ষা সংসদ

সবচেয়ে জনপ্রিয় বাজিগুলির তালিকায় শীর্ষে এখন নানা ধরণের –

স্কাই শট : বিক্রেতাদের মতে, এ বছর সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে ১০০ শট্স‌ (100 Shots) বাজি— ঢাউস আকৃতির এই বাজি একটানা শতবার আকাশে আলো ছড়ায়। দাম প্রায় ৮,০০০ টাকা। এর পরেই রয়েছে স্কাইশট্— কোনোটি দশতলা বাড়ির চেয়েও উঁচুতে উঠে রঙিন আলোর বৃষ্টি ঘটায়, আবার কোনোটি আকাশজোড়া ছাতার মতো আলো ছড়ায়। দাম ৪,০০০ থেকে ৭,০০০ টাকার মধ্যে।

টু ইন ওয়ান’ শট্স: টু ইন ওয়ান’ শট্স বাজিও জনপ্রিয়। এটি প্রথমে মাটিতে আলো ছড়ায়, তারপর আকাশে উঠে ফেটে রঙিন আলোর বৃত্ত তৈরি করে। দামের পরিসর ৪০০ থেকে ৫,০০০ টাকা।

জঙ্গল সিরিজ :এটি আকাশে উঠে রুপোলি স্পার্কলের মতো ঝলক তৈরি করে। দাম প্রায় আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা। ১২০ শট বাজিও (120 Shots) দারুণ চাহিদায়— একটির দাম গড়ে ২,৫০০ টাকা। পুরনো দিনের আমেজ ধরে রেখেছে তুবড়ি (Tubr i)। মাটির খোলে তৈরি বড় তুবড়ির চারটির দাম ১,০০০–১,৮০০ টাকা।

 ডাক :এই নামের এক অভিনব বাজিও জনপ্রিয় হয়েছে— হাঁসের মতো দেখতে এই বাজির দাম ১,১০০–১,৫০০ টাকা।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

তবে সবুজ বাজির আসল চেনার উপায়ও জানানো হয়েছে। প্রতিটি প্যাকেটে থাকবে CSIR-NEERI (National Environmental Engineering Research Institute)-এর লোগো ও QR Code। নিরির অ্যাপে স্ক্যান করলে দেখা যাবে বাজিটির অনুমোদন ও উপাদান। দূষণ রুখতে কলকাতা পুলিশ সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছে— কালীপুজো ও দীপাবলির রাতে (Diwali 2025) শুধুমাত্র রাত ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে সবুজ বাজি পোড়ানো যাবে।

পরিবেশকর্মী নব দত্তর কথায়, “সবুজ বাজি সম্পূর্ণ দূষণমুক্ত নয়, তবে প্রায় ৩০% দূষণ কমায়।” তাই এ বছরের বাজির আলো হোক আনন্দের, কিন্তু পরিবেশের প্রতি দায়িত্বশীলতায় মোড়া।