নিউজ পোল ব্যুরো: ভারতের মহিলা দল ক্রিকেট বিশ্বকাপ জিতেছে। বিশ্বকাপ জেতার পরই ব্যস্ততা কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে হরমনপ্রীত কৌরের। ভারত বিশ্বকাপ জেতার পর এ দেশে মহিলাদের ক্রিকেট নিয়ে নতুন উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। আগ্রহের কেন্দ্রে অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর। ফাইনালে নাদিন ডি ক্লার্কের ক্যাচ ধরে দেশকে ট্রফি দিয়েছিলেন তিনি। সেই হরমনপ্রীত এখন এত বিজ্ঞাপনের প্রস্তাব পাচ্ছেন যে, দম ফেলারই সময় নেই। এবার বিশ্বকাপ জয়ী ভারত অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌরকে (Harmanpreet Kaur ) সাম্মানিক ডিলিট প্রদান করতে চলেছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University)। ২৪ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সম্মান প্রদান করা হবে ভারত অধিনায়ককে। বুধবার রাজভবনে রাজ্যপাল তথা আচার্য আনন্দ বোসের সঙ্গে বৈঠকে উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবের কথা জানান। জানা গিয়েছে, রাজ্যপাল মৌখিকভাবে প্রস্তাবে সম্মতি দেন।
আরও পড়ুন:Rationing: রেশন বিতরণে স্বচ্ছতা বাড়াতে AI ব্যবস্থার সূচনা করলো সরকার
নভেম্বরের ৩ তারিখ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী উপাচার্য হিসাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। নভেম্বরের ৭ তারিখ সমাবর্তন অনুষ্ঠান নিয়ে বিশেষ বৈঠক ডাকেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সেখানে দেশের মহিলা ক্রিকেটের ক্যাপ্টেনকে ডি লিট দেওয়ার প্রস্তাব এলেও তখন আমল দেওয়া হয়নি। তার প্রধান কারণ,বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের খবর, হাতে সময় কম, তাই দ্রুত সমাবর্তন নিয়ে এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল(ইসি)-এর বৈঠক ডাকতে চলেছেন কর্তৃপক্ষ। যা এই কম সময়ের মধ্যে করা অসম্ভব বলে জানিয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য।

বুধবার রাজভবনে সমাবর্তন নিয়ে আলোচনা করেন উপাচার্য। রাজভবন সূত্রের খবর, সেখানে আচার্যকে হরমনপ্রীত কৌরকে ডি লিট দেওয়ার বিষয়টি জানান তিনি এবং তাতে সায় দিয়েছেন আচার্য।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole
শুধু ভারতীয় দলের অধিনায়কই নন, নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমাবর্তনে বিশেষ অতিথি হিসাবে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ডিআরডিও-র চেয়ারম্যান সমীর ভি কামালকে অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানোর প্রস্তাব রয়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে কর্ম সমিতির বৈঠকে প্রস্তাবিত নামগুলি পাশ করিয়ে নেওয়া হবে বলে খবর।

উল্লেখ্য, ২০২৩ ও ২০২৪ সালে স্থায়ী উপাচার্য না থাকায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণাঙ্গ সমবর্তন হয়নি। আচার্য-রাজ্যপাল সমাবর্তনের অনুমতি দেননি। তববিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রথা মেনে ডিগ্রি প্রদানের জন্য সংক্ষিপ্ত সমাবর্তন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল।
