নিউজ পোল ব্যুরো: বড়দিনের (Christmas) আগমনী বার্তা আগেভাগেই ছড়িয়ে পড়েছে হুগলির (Hooghly) ঐতিহাসিক ব্যান্ডেল চার্চে (Bandel Church)। শীতের হালকা আমেজ, উৎসবের আলো আর প্রার্থনার আবেশ—সব মিলিয়ে বড়দিনের ঠিক আগের শেষ রবিবার থেকেই যেন এক অন্য রূপে ধরা দিয়েছে এই প্রাচীন গির্জা চত্বর (Bandel Church)। সকাল থেকেই চার্চের (Bandel Church) সামনে উপচে পড়া ভিড়। দেশ-বিদেশের পর্যটক, খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী এবং ইতিহাসপ্রেমীদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। আগামী বৃহস্পতিবার বড়দিন উদযাপিত হবে। তার আগেই ব্যান্ডেল চার্চ সাজিয়ে তোলা হয়েছে মনোরম আলোকসজ্জা ও উৎসবের সাজে। রঙিন আলো, ক্রিসমাস থিমের সাজসজ্জা আর প্রার্থনার পরিবেশে চার্চ (Bandel Church) চত্বর যেন এক আলাদা মাত্রা পেয়েছে। বড়দিনের দিন গির্জার ভেতরে সাধারণ দর্শনার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকায়, শেষ রবিবার থেকেই মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন এই ঐতিহ্যবাহী স্থানে। কেউ প্রার্থনায় অংশ নিচ্ছেন, কেউ আবার চার্চের স্থাপত্য ও ইতিহাস উপভোগ করছেন।
চার্চ (Bandel Church) প্রাঙ্গণে ঢুকলেই চোখে পড়ে যীশু খ্রিস্ট ও মা মারিয়ার মনোমুগ্ধকর মূর্তি। বড়দিন উপলক্ষে এই মূর্তিগুলিকে বিশেষভাবে সাজানো হয়েছে, যা দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ব্যান্ডেল চার্চ (Bandel Church)বর্তমানে একটি ব্যাসিলিকা (Basilica)। দীর্ঘ ইতিহাস ও ধর্মীয় গুরুত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ স্বয়ং পোপের অনুমোদনে এই সম্মানসূচক উপাধি পেয়েছে ব্যান্ডেল চার্চ। (Bandel Church) বিশ্বের অন্যান্য নামী ব্যাসিলিকার সঙ্গে একই তালিকায় স্থান পেয়েছে হুগলির এই ঐতিহাসিক গির্জা, যা পশ্চিমবঙ্গ পর্যটনের (West Bengal Tourism) গর্ব।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
বড়দিনের দিন ব্যান্ডেল চার্চে (Bandel Church) তিন দফায় উপাসনার আয়োজন করা হয়েছে—সকাল ৭টা, সওয়া ৯টা এবং ১১টায়। উপাসনা চলাকালীন সময়ে সাধারণ দর্শনার্থীদের চার্চের ভেতরে প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে। তবে চার্চ সংলগ্ন গোসালা এলাকা পর্যন্ত সাধারণ মানুষ যেতে পারবেন এবং বাইরে থেকেই উৎসবের আবহ উপভোগ করতে পারবেন। সব মিলিয়ে বড়দিনের আগে ব্যান্ডেল চার্চে (Christmas Celebration) ধর্ম, ইতিহাস ও উৎসবের রঙ একসূত্রে মিশে তৈরি করেছে এক অনন্য অভিজ্ঞতা, যা প্রতি বছরই অসংখ্য মানুষের কাছে বড়দিনের আনন্দকে আরও বিশেষ করে তোলে।
