Calcutta High Court:সরকারি জমিতে ফুটবল কিংবদন্তিদের মূর্তি? লেকটাউন বিতর্কে হস্তক্ষেপ হাই কোর্টের

আইন কলকাতা

নিউজ পোল ব্যুরো: লেকটাউনে লিওনেল মেসি ও দিয়েগো মারাদোনার মূর্তি বসানোকে কেন্দ্র করে এ বার কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাই কোর্ট। সরকারি জমিতে ওই মূর্তি বসানো হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে রাজ্য সরকার ও দমদম পুরসভাকে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সোমবার এই সংক্রান্ত একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানি হয় কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চে।

আরও পড়ুন:http://Smartphone Price: আঙুল ছোঁয়া ছাড়াই স্ক্রল? স্মার্টফোনের সংজ্ঞাই বদলে দিতে আসছে ‘ক্লিক কমিউনিকেটর’

আদালত নির্দেশ দিয়েছে, তিন সপ্তাহের মধ্যে রাজ্য সরকার ও দমদম পুরসভাকে বিস্তারিত রিপোর্ট পেশ করতে হবে। রিপোর্টে স্পষ্ট করে জানাতে হবে— মেসি ও মারাদোনার মূর্তি কোন জমিতে বসানো হয়েছে, সেটি সরকারি না ব্যক্তিগত, এবং অনুমতি নিয়ে তা স্থাপন করা হয়েছে কি না। এই জনস্বার্থ মামলাটি দায়ের করেন স্বদেশ মজুমদার। তাঁর দাবি, রাস্তার ধারে ও সরকারি জমিতে ওই মূর্তি বসানো হয়েছে, যা আইনবিরোধী। তিনি আদালতে জানান, শাসকদলের এক নেতা কীভাবে সরকারি জমিতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে মূর্তি স্থাপন করতে পারেন, সেই প্রশ্নই মূলত উঠছে। পাশাপাশি তিনি সুপ্রিম কোর্টের একাধিক পর্যবেক্ষণের উল্লেখ করে বলেন, জনসাধারণের চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে বা সরকারি জমি দখল করে কোনও মূর্তি বা স্থাপত্য নির্মাণ করা যায় না।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

উল্লেখযোগ্যভাবে, সম্প্রতি কলকাতায় ভার্চুয়ালি এসে মেসি নিজে ওই মূর্তির উদ্বোধন করেন। পরে তিনি সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গণে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সেই অনুষ্ঠান ঘিরেই চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। মাঠে ভাঙচুর, বিশাল ভিড় এবং নিরাপত্তার অভাব নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করেও কলকাতা হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলার শুনানিতেই বিচারপতি পার্থসারথী সেন প্রশ্ন তোলেন, বিধায়ক সুজিত বসুর উদ্যোগে নির্মিত ওই মূর্তিগুলি সরকারি জমিতে বসানো হয়েছে কি না। তিনি স্পষ্টভাবে জানতে চান, যদি তা সরকারি জমি হয়, তবে ব্যক্তিগত উদ্যোগে সেখানে কোনও স্থাপনা গড়া আদৌ আইনসম্মত কি না। এবার সেই প্রশ্নেরই লিখিত জবাব চেয়ে রাজ্য ও পুরসভাকে সময় বেঁধে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। আদালতের এই নির্দেশের পর বিষয়টি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে।