Earthquake : ভূমিকম্পের ঝাঁক না বড় বিপদের ইঙ্গিত? কলকাতা নিয়ে সতর্কবার্তা বিশেষজ্ঞদের

breakingnews কলকাতা রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: বাংলায় ক্রমশ আতঙ্কের সমার্থক হয়ে উঠছে ভূমিকম্প (Earthquake)। একের পর এক কম্পনে উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ (Earthquake)। শুক্রবার সকালে জোরাল ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গ (Earthquake)। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৫। ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল বাংলাদেশের সাতক্ষীরা, যা ভারতের সীমান্তের খুব কাছেই অবস্থিত। ফলে সীমান্তবর্তী জেলা থেকে মহানগর কলকাতা—সব জায়গাতেই তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে (Earthquake)। এই ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠছে, ঘনঘন ভূমিকম্প কি বড় কোনও বিপদের পূর্বাভাস? বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতে আবারও কম্পন অনুভূত হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

আরও পড়ুন : Kolkata Earthquake : হঠাৎ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল মহানগর! দক্ষিণবঙ্গজুড়ে আতঙ্কের পরিবেশ

এর আগেও বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি জেলায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল (Earthquake)। এক ঘণ্টার ব্যবধানে দু’বার কম্পন টের পান স্থানীয়রা। শুক্রবার ভোরে আবার দার্জিলিং এলাকায় ২.৫ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। একই সময়ে সিকিমের মঙ্গন এলাকায় পরপর কম্পন রেকর্ড করা হয়, যার মাত্রা ছিল ৩.৯ ও ৩.৭। ভোর চারটে নাগাদ হওয়া এই কম্পনের প্রভাব উত্তরবঙ্গেও অনুভূত হয়। একদিনে প্রায় ১৬ বার কম্পন ধরা পড়ায় উদ্বেগ বেড়েছে। শুক্রবারের ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল সাতক্ষীরা হওয়ায় বসিরহাট, টাকি, ডানকুনি, চুঁচুড়া, ডায়মন্ড হারবার ও গোসাবা-সহ একাধিক এলাকায় তীব্র কম্পন অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের কেন্দ্র খুব গভীরে না থাকায় কম্পনের তীব্রতা বেশি বলে মনে করা হচ্ছে। বসিরহাটের কয়েকটি মাটির বাড়িতে ফাটল ধরার খবরও মিলেছে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole

ভূমিকম্পের সময় সাধারণত তিন ধরনের ভূকম্পীয় তরঙ্গ (Seismic Waves) সৃষ্টি হয়। প্রথমে আসে প্রাইমারি বা পি-ওয়েভ, যাতে জলাশয়ের জল কাঁপতে দেখা যায়। এরপর আসে এস-ওয়েভ, যা সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতির কারণ হয়। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, নেপাল, সিকিম, উত্তরবঙ্গ ও বাংলাদেশে ঘনঘন কম্পনকে ভূমিকম্পের ঝাঁক (Earthquake Swarm) বলা হয়। অনেক সময় বড় ভূমিকম্পের আগে এ ধরনের ছোট ছোট কম্পন দেখা যায়, যাকে ফোরশক (Foreshock) বলা হয়। যদিও নিশ্চিতভাবে বড় ভূমিকম্পের পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব নয়, তবুও পরিস্থিতি নিয়ে নজরদারি চলছে। তাই সতর্ক থাকাই এখন সবচেয়ে জরুরি।